Main Menu

সরকারী কলেজে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু’র দায় নিতে চান না কেউ!

তারেক জাহিদ, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর সরকারী কে,এম,এইচ কলেজে বুধবার নির্মান কাজের সময় লিণ্টেন ভেঙ্গে মাথায় পড়ে নির্মাণ শ্রমিক মালেক শাহ (৫০)-এর মৃত্যু’র ঘটনায় অবশেষে ওই রাতেই স্থানীয় থানায় মামলা হয়েছে। কোটচাঁদপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুল আলম জানান, ৩০৪-এর(ক) ধারায় ত্রæটি পূর্ণ নির্মাণ কাজ ও অবহেলা জনিত কারণে মৃত্যু’র অভিযোগে প্রধান নির্মাণ মিস্ত্রী রাজিবের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে মামলা করেছে মৃতের ছেলে শাকিল শাহ। মামলা নং-১৪। জানা গেছে, কলেজে’র ১৫ লাখ টাকার রিপিয়ারিং কাজটি পান ঝিনাইদহের মেসার্স পিণ্টু টেডার্স। এক কাজটি কিনে নেনে কালিগজ্ঞের বাবু ও মিলন। তারা আবার চুক্তিতে দেন নির্মাণ মিস্ত্রী রাজিবের নিকট। বিষয়টি দেখভাল করেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (শিক্ষা) তুহিন হোসেন। অভিযোগ উঠেছে, কাজটি কয়েকটি হাত বদলানোর কারণে কাজে ব্যাপক ত্রæটি রয়েছে। যে কারণে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু’র ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ অনুতোষ কুমার এ প্রতিবেদকে বলেন, এ কাজের দায়ভার সামন্য পরিমানে আমার নয়। কাজ বুঝ করে নেয়ার দায়িত্ব সরকার আমাকে দেন নাই। কাজ বুঝে নেয়ার দায়িত্ব কার প্রশ্নকার হলে তিনি বলেন, বিল্ডিং তৈরী হওয়ার পর শুধু চাবি বুঝ করে নেয়ার দায়িত্ব আমার। আর কিছু নয়। বাকী দায়িত্ব প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের। তারপরও তিনি স্ব-ইচ্ছায় কাজ দেখা শুনার জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে দিয়েছেন বলে জানান তিনি। কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক (ইতিহাস) আতিকুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক (বাংলা) রবিউল ইসলাম, প্রভাষক (জীব বিজ্ঞান) আলমগীর হুসাইন। এ বিষয়টি নিয়ে কলেজের সহকারী অধ্যাপক (ইতিহাস) আতিকুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, এ কাজের তদারকি মানে বালি, ইট রড কোথায় নামবে এ জায়গা বের করে দেয়া। তা ছাড়া আমরা তো এ কাজ খুব একটা বুঝিনা ইঞ্জিনিয়ার সাহেব কখন লেবার নিয়ে ঢালাই দিচ্ছেন আমাদের সাথে বলেনও না। বিষয়টি নিয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী তুহিন হোসেন ও সাব কণ্টাক নেয়া ঠিকাদার মিলন ও প্রধান নির্মাণ মিস্ত্রী রাজিবের সাথে কথা বললে তিনজন কেউ এ দূর্ঘটনার বিষয়ে দায়িত্ব নিতে চান না। একে অপরের উপর দোষ চাপান। তাই প্রশ্ন উঠেছে এঘটনার দায়ভার কার! যে কারণে কোটচাঁদপুরের স্বচেতন মহলসহ ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শিক্ষা মন্ত্রীর দ্রæত হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.