Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে ১৩’মাসে ৩’পরিদর্শকসহ ১৩’অফিসার বদলী

নারায়নগঞ্জ( সিদ্বিরগঞ্জ প্রতিনিধি): সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির সাথে ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দের কারণে থানা থেকে ৩’পরিদর্শকসহ ১৩’অফিসার বদলী। ক্ষমতাধর ওসি কামরুল ফারুকের সাথে বাগবাটোরা নিয়ে দ্বন্দের কারণে তাদের বদলী করা হয়েছে। মাত্র ১৩’মাসে ওসি কামরুল ফারুকের নিকট পরাজিত হয়েছেন ৩’জন পরিদর্শকসহ ১৩’এসআই-এএসআই। সর্বশেষ গত ১০’সেপ্টেম্বর অবৈধ ভাবে মিতালী মার্কেটের কর্তৃত্ব দখলের সহায়তা হিসেবে নেওয়া মোটা অংকের টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কামরুল ফারুকের সাথে পরিদর্শক (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের তুমুল বাক বিতন্ডার ঘটনা ঘটে। ১২’টা থেকে সাড়ে ১২’টা পর্যন্ত প্রায় ৩০’মিনিট সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি’র কক্ষের সামনে দু’ জনের মধ্যে বাক বিতন্ডার ঘটনা ঘটে। পরে থানার ওসি (তদন্ত) ইশতিয়াক আশফাক রাসেলসহ অন্যান্য অফিসাররা এসে উভয়কে শান্ত করেন। বিষয়টি জানতে পেরে জেলা পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল আলম সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারকে তাৎক্ষনিক সোনারগাঁও থানায় বদলীর আদেশ দেন। পুলিশের বিভিন্ন সূত্রের সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে। ওসি মোঃ কামরুল ফারুক ২০১৯ইং সালের ৪ আগষ্ট সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওসি হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর নানা কারনে বিতর্কিত হয়ে উঠে ওসি কামরুল ফারুক। ফুটপাতে চাঁদাবাজিসহ এসব কারণে এরই মধ্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক আইজিপিসহ বিভিন্ন দপ্তরে তার নামে একাধিক অভিযোগ জমা পরে। এদিকে ওসি কামরুল ফারুক থানায় তার কক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইজিপি ও ডিআইজির সাথে তার ব্যাক্তি ছবি দেয়ালে টানিয়ে রেখেছেন। পুলিশ অফিসারসহ সাধারন মানুষকে আগাম ভয় বা হুমকী হিসেবে দেখানোর জন্য তার কক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইজিপি ও ডিআইজির সাথে তোলা ব্যাক্তি ছবি দেয়ালে টানিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক পুলিশ সদস্যরা। ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদার ছাড়াও ওসি কামরুল ফারুকের দ্বন্দে কারণে গত ৮ জুন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে বন্দর থানার ধামগর ফাঁড়িতে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হককে। একই ভাবে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পরিদর্শক (অপারেশন) এর দায়িত্বে থাকা এইচ এম জসিম উদ্দিন চৌধুরীকে রূপগঞ্জ থানায় বদলী হয়ে যান। একই ভাবে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার চৌকস অফিসার হিসেবে পরিচিত এসআই ইব্রাহিম পাটোয়ারী ও এসআই সামসুল আলমকে গত বছরের ১৭ নভেম্বর গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় চলে যেতে হয়েছে। এছাড়াও এসআই জসিম উদ্দিনকে ২০/১/২০ইং তারিখে গোপালগঞ্জ জেলায়, এসআই কামরুল ইসলামকে ১০/১/২০ইং তারিখে ফরিদপুর জেলায়, এসআই জয়নাল আবেদিনকে গত ১৪/৬/২০ইং তারিখে সোনারগাঁ থানার তালতলা পুলিশ ফাড়ীঁ, এসআই হাফিজুর রহমানকে ১০/৬/২০ইং তারিখে ফতুল্লা মডেল থানায়, এএসআই হেমায়েত উদ্দিন(পিপিএম)কে গত ২১/৬/২০ইং তারিখে ঢাকা জেলায়, এএসআই আব্দুর রহমান বাচ্চুকে গত ২২/৬/২০ইং তারিখে কিশোরগঞ্জ জেলায়, এএসআই সাইফুল ইসলামকে গত ৫/৮/২০ইং তারিখে সিলেট জেলায়, এএসআই রফিকুল ইসলামকে গত ৫/৮/২০ইং তারিখে আড়াইহাজার থানার কালাপাহাড়ীয়া ফাঁড়ীতে, এএসআই আব্দুর রহিমকে গত ৪/৯/২০ইং তারিখে আড়াইহাজার থানার গোপালদী ফাঁড়ীতে, এএসআই শাহাদাত হোসেকে র‌্যাবে, এএসআই বেলায়েত হোসেনকে গত ৯/১২/১৯ইং তারিখে শরিয়তপুর জেলায় বদলী করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওসি কামরুল ফারুকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন জরুরী বলে মনে করছে সচেতন মহল। #####






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.