Main Menu

সুন্দরবনে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের সময় গ্রেফতার-২

শামীম আখতার,ব্যুরো প্রধান(খুলনা) খুলনা জেলা ডিবি পুলিশ সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে ৭০০ কেজি বিষ প্রয়োগ করে ধরা ছোট-বড় চিংড়ি মাছ, ১ হাজার ফুট জাল,২ বোতল বিষ,৪টি কাঠের তৈরী মাছ ধরার ছোট ডিঙ্গি নৌকাসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে।

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের অফিস সূত্রে জানা গেছে, খুলনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার এস.এম শফিউল্লাহ (বিপিএম) মহোদয়ের নির্দেশনায়,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিএম আবুল কালাম আজাদের সার্বক্ষণিক তত্বাবধানে খুলনা জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ সেখ কনি মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক গোপাল চন্দ্র রায় ও এসআই মোঃ নাজমুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে কয়রা সুন্দরবন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে,কয়রা উপজেলার বাইনতলা খাশিটানা নদীর পশ্চিম পার্শ্বে খালের মধ্যে কিছু অসাধু ব্যাক্তি খালে কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ শিকার করছে। উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য  তাৎক্ষনিকভাবে ট্রলার যোগে দ্রুত রওনা হয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আসামীগন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আংটিহারা গ্রামের রাজ্জাক মোড়লের ছেলে মোঃ বারী মোড়ল (৩৫) ও একই গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে মোঃ আনিসুর রহমানকে (২২) গ্রেফতার করে। ওই সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি কাঠের তৈরী মাছ ধরার ছোট ডিঙ্গি,বিভিন্ন সাইজের ৭টি ভেসাল মাছ ধরার জাল,১টি খেপলা জাল,বিষ প্রয়োগ করে ধরা ছোট ও বড় ৭০০কেজি চিংড়ি মাছ,২টি বিষের বোতল উদ্ধার করা হয়।।এ সংক্রান্তে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে খুলনা জেলা গোয়েন্দা শাখা ও বন বিভাগের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।

সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ গুলোর মধ্যে মাছ অন্যতম। সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী ও খালে প্রচুর পরিমানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। জেলেরা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে বিভিন্ন প্রকার নিষিদ্ধ জাল ও কীটনাশক ব্যবহার করে মাছ শিকার করে থাকে। উক্ত কারণে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে যে সমস্ত নদ-নদী ও খাল রয়েছে সে সমস্ত নদ-নদী ও খালের আহরণের উপযোগী মাছ ব্যতীত সকল মাছের রেনু, পোনার ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। কিছু কুচর্ক্রী জেলে মহল সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে অবৈধ কীটনাশক ব্যবহার করে সকল প্রকার মাছের রেনু, পোনার ব্যাপক ক্ষতিসহ প্রাকৃতিক সম্পদ বিনষ্ট করছে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক সম্পদ বিনষ্টকারী, ক্ষতিসাধনকারীদের বিরুদ্ধে খুলনা জেলা পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স। যারা এ সমস্ত কাজে জড়িত তাদের প্রত্যেকে আইনের আওতায় আনা হবে।






Related News

Comments are Closed