Main Menu

ডেমরায় টি আই সাইফুলের ব্যপোরোয়া চাঁদাবাজি-পুলিশ বক্স কে, করেছে বি আর টি এ অফিসে পরিনত,

গত কাল 19- 8- 20 বুদবারের তোলা ছবি

টাকা দিলে বৈধ হয়ে যায় অবৈধ গাড়ি, চাঁদাবাজির ব্যপারে সাংবাদিকরা তার কাছে যানতে চাইলে তিনি সি,এন,জি ষ্টানে ড্রাইভারদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন

স্টাফ রির্পোটার: ডেমরা স্টাফ কোটারে ট্রাফিক পুলিশের ব্যপোরোয়া চাঁদাবাজি শুধুমাত্র সিএনজি থেকেই মাসোয়ারা নিচ্ছে লক্ষ লখ টাকা, নাম প্রকাশ না করার শর্থে এক ব্যক্তি যানান রুপগঞ্জ ও খলাপাড়া সি এন জি স্টান থেকে টি আই সাইফুল কে প্রতি মাসে ৪৫ হাজার, মেন্দিপুর স্টান থেকে ১৫ হাজার,আবার ঢাকা মেট্রো সি এন জি –স্টান ছারা সি, এন,জি, প্রতিটি, থেকে প্রতিদিন ৪,৫ শত সি,এন,জি.থেকে ৩০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হয় । সি এন জি ড্রাইভারা আরো যানাযান টি আই সাইফুল আসার পর কিছুদিন তেমন কোন ঝামেলা করেনি ষ্টান থেকে যা মাসোয়ারা দিত সেটাই নিয়ে চুপছিলেন তারপর করোনা আসার পর কিছুদিন মাসোয়ারা বন্ধছিল, আবার কিছুদিন বিঁশহাজার টাকা করে মােসোয়ারা নিয়েছেন গত কয়েকদিন আগে বলেছেন এই মাসে আরো দশ হাজার টাকা বাড়িয়ে দিতে হবে কোন এক বর স্যারকে দিতে হবে পরের মাসে আগের মত পুরো মাসোয়ারা দিতে হবে।

আবার ৪ থেকে ৫ শত সি এন জি থেকে রুপ লেথা নামের স্টিকার লাগিয়ে অবৈধ সি এন জি চলাচলের বৈদতা দিচ্ছে প্রশাসন, তাই গাড়ি প্রতি মাসে ৪শত টাকা করে চাঁদা গুনতে হচ্ছে সি এন জি ড্রাইভার ও মালিকদের,অন্যদিকে লেগুনা, ভিবিন্ন কম্পানির বাস, ট্রাক, পিক আপ,কভারব্যান, সব মিলিয়ে ডেমরা ট্রাফিক পুলিশ বক্স জেন বি আর টি এ অফিস ।

তাদের মাসোয়ারা দিলেই অবৈধ গাড়ি বৈধ হয়ে যায়।এব্যপারে রামপুরা ট্রাফিক জোনের টি, আই, সাইফুলের সাথে কথা হলে তিনি বলছেন ভিন্ন কথা তিনি বলেন আমার এখানে কোন অবৈধ গাড়ি চলেনা, জবাবে নারায়গঞ্জের নাম্বার লাগানো সি, এন, জি, কি ভাবে ডেমরা স্টাফ কোয়াটার, ডি, এম, পি, এলাকায় ফিটনেছ বিহীন লেগুনা অপ্রাপ্ত বয়স্ক ড্রাইভারা কি ভাবে গাড়ি চালায় যানতে চাইলে বলে আমাদের চোখে পরলে আমরা ব্যবস্থা নেই আর আজ থেকে কারা চাঁদা উঠায় এব্যপারে দেখবো, আর চাঁদার ব্যপারে আমি কিছু যানি না।

অন্য দিকে পুলিশের মহাপরির্দশক আই,জি পি বলেছেন পড়িবহন থেকে কোন চাঁদাবাজি করা জাবেনা আই,জিপির আদেশ কে র্ভিধাআঙ্গুলী দেথিকে করোনাকালিন ও র্দূযোগকালিন সময়ে টি আই সাইফুলের ব্যপোরোয়া চাঁদাবাজি, পরিবহন ড্রাইভার ও মালিরা যানান প্রতিদিনের চাঁদা মাসিক চাঁদা দিতে গিয়ে আমাদের সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে চাঁদার বা মাসিক টাকা দিতে দেরি হলে ডামপিং রেকার বিল মামলার টাকা গুনতে হয়।

এদিকে দলিয় নেতারাও স্বীকার করেছে অবৈধ সি এন জির ছড়াছড়ির কথা। তবে অবৈধ সিএনজি চলাচল এবং চাঁদাবাজির কথা অস্বীকার করছে তারা, নারায়গঞ্জ জেলা বিআরটিএর হিসেবে, নবায়ন নিচ্ছে না চার হাজার সি এন জি সরকার হারাচ্ছে বছরে তিন কোটি টাকা বি আর টিএ সুত্র যানায় দলিয় নেতা ও প্রশাসনের কিছু লোক তাদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে তাদের সুবিদা দিয়ে থাকার কারনে সি এন জি বা অন্য পড়িবহনের লোকেরা গাড়ির কাগজ করাতে কম আগ্রহি।

প্রকাশ্যে যানবাহন থামিয়ে ট্রাফিক পুলিশ চাঁদা উত্তোলন করছে,দাবিকৃত চাঁদা না দিলেই ডাম্পিং ও রেকারিং
টিআই সাইফুল পাচ্ছে মাসে লাখ লাখ টাকা মাসোয়ারা

যানবাহন থামিয়ে কগজপত্র চেকিং এর নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে ডেমরা চৌরাস্থায় ট্রাফিক পুলিশ। সিএনজি, লেগুনা,কাভার্ডভ্যান, বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস,লরীসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা কালেকশন করা হচ্ছে। নিরববে গাড়ির মালিকরা মাসের পর মাস মাসোয়ারা দিয়ে যাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের টিআই সাইফুল ইসলামকে।

দাবিকৃত চাঁদা প্রদান না করলে রেকার লাগিয়ে জরিমানা করা হচ্ছে আবার কখনো কখনো চাঁদার জন্য ডাম্পিং করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার দুপুরে ডেমরা চৌরাস্থায় গিয়ে দেখা যায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায় করে নিচ্ছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের ৫ শতাধিক সিএনজি ডেমরা ও রামপুরা পর্যন্ত চলাচল করে টিআই সাইফুলকে গাড়ি প্রতি ৫০০ টাকা করে মাসোয়ারা দিয়ে।

ডেমরা চৌরাস্থায় ও আশপাশ এলাকায় টিআই সাইফুলের অত্যাচারে পরিবহন সেক্টরের সাথে জড়িতরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। একাধিক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন টিআই সাইফুলের বেপরোয়া চাঁদাবাজি, রেকিারং বাণিজ্য ও ডাম্পিং বাণিজ্যসহ মাসোয়ারা বন্ধ না হলে ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।

চাঁদাবাজির ব্যপারে সাংবাদিকরা তার কাছে যানতে চাইলে তিনি বলেন আপনারা যা বলছেন তার কি প্রমান আছে সাংবাদিকরা তাকে বলে আপনাকে জারা মাসোহারা দেয় তারাই যানিয়েছে এই কথার রেশ ধরে, সি, ,এন,জি ষ্টানে ড্রাইভারদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন টি আই সাইফুল






Related News

Comments are Closed