Main Menu

৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে হত্যার পর লাশ গুম


প্রেমিক আব্দুল্লাহ’র মিথ্যে ভালোবাসার ফাঁদে পা দিয়ে অকালে প্রাণ হারালো নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন ৩১/৫০ এলএন রোড দেওভোগ নিবাসী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়ার ৫ম শ্রেণী পড়–য়া মেয়ে জিসামনি (১৫)।
মামলার এজাহার হতে জানাযায়, প্রথমে সুকৌশলে গত জুলাই মাসের ৪ তারিখে ভিকটিম জিসামনিকে বাড়ি থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় লম্পট ও খুঁনি আব্দুল্লাহ (২২)। তারপর খুঁনি আব্দুল্লার বন্ধু অটোরিক্সা চালক খুঁনি রকিব (২০) ও নৌকার মাঝি খলিল (৩৬) সহ ৩জন মিলে শীতলক্ষ্যা নদীর একরামপুর ইস্পাহানী ঘাটে নৌকায় ঘুরতে যায়। এক পর্যায় তারা ৩জনে মিলে ভিকটিম জিসামনিকে গণধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। লম্পট ও খুঁনি আব্দুল্লাহ (২২) ও তার দুই সহযোগী অটোরিক্সা চালক রকিব (২০) এবং নৌকার মাঝি খলিল (৩৬) এই ঘটনার পর গাঁ ডাকা দিলে নিখোঁজ ভিকটিম জিসামনির বাবা মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া অনেক খোজাখুঁজি করে নিখোঁজ জিসামনিকে না পেয়ে গত ৬ই আগষ্ট নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা নং-০৬/ ০৬-০৮-২০ইং একটি নারী ও শিশু অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্ত করে সদর মডেল থানার এইআই মোঃ শামীম আল মামুন গত ৭ই আগষ্ট বন্দর থানাধীন বুরুন্ধি এলাকা হতে ১নং আসামী ধর্ষক আব্দুল্লাহ ও তার বন্ধু রকিবকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ঐ দিন জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট সদর নারায়ণগঞ্জ আহাম্মদ হুমায়ূন এর আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আসামী আব্দুল্লাহ ও রবিককে আদালতে হাজির করলে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। পুলিশ রিমান্ডে খুঁনি আব্দুল্লাহ ও রকিব নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে তাদের সহযোগী অপর খুঁনি নৌকার মাঝি খলিলের সন্ধান দেয়। পুলিশ এরপর খুঁনি নৌকার মাঝি লম্পট খলিলকে গ্রেফতার করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ শামীম আল মামুন জানায়, আমরা দক্ষতার সাথে মামলাটি তদন্ত করছি। আজ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট নারায়ণগঞ্জ মোঃ মিল্টন হোসেন এর আদালতে ৩জন আসামী এই মামলার অপরাধ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধী দেয়। তাছাড়া ভিকটিম জিসামনির লাশের এখনো কোন সন্ধান মিলেনি। আমরা আশপাশের সকল থানায় ভিকটিমের ছবি পাঠিয়েছি। আশাকরি আদালত এই মামলার বিষটির আমলে নিয়ে ন্যায় বিচার করবে।
মামলার বাদী নিহত জিসামনির বাবা মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া সাংবাদিকদের কাছে কান্নায় ভেঙ্গে পরে বলেন, কি অপরাধ ছিলো আমার হাসিখুশি মেয়েটির। এই অমানবিক হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ফাঁসি চাই। সরকার ও আইন শৃংখলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠ বিচার চাই।






Related News

Comments are Closed