Main Menu

সিরাজদিখানে শেষ সময়ে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট


মোঃ আমির হোসেন ঢালি (মুন্সীগঞ্জ) সিরাজদিখান প্রতিনিধি।ঈদের বাকি তিন দিন থাকতেই মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে কোরবানীর পশুর হাটগুলোজমে উঠেছে।কোরবানীর পশুর ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছেপশুর হাটগুলো এবং অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট আয়োজকদের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি।
এদিকে বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের কারণেসরকারের দেয়া বিধি-নিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে  সিরাজদিখান উপজেলায় নয়টি স্থানে কোরবানির অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে।হাটের শুরুতেই ক্রেতার সমাগম কম দেখেচিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন এই উপজেলার গরু-ছাগলের খামারি ও হাট আয়োজকরা।
বুধবার ২৯ জুলাই উপজেলার বিভিন্ন পশুর অস্থায়ী হাটগুলো ইছাপুরা,মধ্যপাড়া,মালখানগর,ইমামগঞ্জ, কুচিয়ামোড়া,ভানু মার্কেট,খালপাড়া,হাজী বাজার ও নয়াগাও মাদবরের হাট ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন হাটে গরু -ছাগল ক্রয়-বিক্রয়বেড়েছে।
 ইছাপুরা হাটে কথা হয় একজন তরুণ খামারিএডভোকেট সোহাগ আলমের সাথে তিনিজানান তার খামারে ৬টি ষাঁড় গরু ও দুটি দুটি বড় সাইজের ছাগল বিক্রির উদ্দেশ্যে হাটে আজকেই উঠিয়েছেন এবং একটি ষাঁড় গরু এক লক্ষ সতেরো হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।এই তরুণ খামারি এইও জানান তার এই গরুটি লালন পালন করে এ হার্ট পর্যন্ত আনতে তার ব্যয় হয়েছে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা।তার খামারের সবগুলো গরু ছাগল বিক্রি হলে তার চালান উঠে আসবে বলে তিনি মনে করেন।
ইছাপুরা জনতার সংসদ আয়োজিত হাট কমিটির কার্যকরী সদস্য ওইছাপুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী বাবুর সাথে কথা বলেজানাযায় বন্যার কারণে অনেকেই গরু কিনতে একটু দেরি করছে তাই আজ থেকে আমাদের গরু বিক্রি বেড়েছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.