Main Menu

সিলেটে সাধারন মানুষ বিপাকে সদরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

হাফিজুল ইসলাম লস্কর :: টানা বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারনে সিলেটে দেখা দিয়েছে বন্যা। এই বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারন করেছে সিলেট সদর উপজেলায়। এ নিয়ে টানা তিনবার বন্যার কবলে পড়েছে উপজেলার নিম্নাঞ্চলের মানুষ।
প্রথম দুই দফার বন্যা পরিস্থিতিকে হার মানিয়েছে এ দফার বন্যা। বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবণ। পানির উত্তাল ঢেউয়ে ভেঙে যাচ্ছে মানুষের বসতভিটা এবং কাঁচা ঘর।
বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক। ফলে বিপর্যস্ত হয়েছে পড়েছে উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থা। ফলে চরম ভোগান্তিতে ওইসব এলাকার মানুষ।
সিলেট সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম নতুন করে বন্যার কবলে পড়েছে। তার মাধ্যে অন্যতম হলো ১নং জালালাবাদ, ২নং হাটখোলা, ৩নং খাদিম নগর, খাদিম পাড়া, ৬নং টুকেরবাজার, ৭নং মোগলগাঁও, ৮নং কান্দিগাঁওসহ কয়েকটি গ্রাম।
হাঁটখোলার উমাইগাঁও, জালালাবাদের আলী নগর,  মানসিনগর, রায়েরগাও, কান্দিগাঁও গোপাল, সাদিপুর  ছামাউরাকান্দি, নীলগাঁও, নলকট, মোগলগাঁও লালারগাও, লামাগাঁও, তালুকপাড়া, চৌধুরী গাঁও, খাদিমনগর সাতগাছি, আলীনগর, ঘোড়ামারা, ছয়দাগ, গনকিটুক, বাউয়ারকান্দি, বাইশটিলা, রঙ্গিটিলা, পীরেরগাও, মধুটিলা, মোকামবাড়ি, বাইলার কান্দি, রইরকান্দি, শিমূল কান্দি, যুগলটিলা,ছালিয়া, ৫,১ও ২ ওয়ার্ডের ঘরবাড়ি, স্কুল, মসজিদ, রাস্তা ঘাট, আউশ ক্ষেত, বীজতলা ও মাছের খামার তলিয়ে গেছে।
মহামারি করোনা এবং লাগাতার বন্যা পরিস্থিতির কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া লোকজন পরিবার-পরিজন নিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছেন। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন স্থানীয় সমাজিক সংগঠকরা।
সিলেট সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার দিকে নজর রাখা হচ্ছে। গত দুইবারের বন্যাকবলিত এলাকার ত্রাণসামগ্রীর দেওয়া হয়েছে। বন্যা মোকাবেলায় সকল আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। আমরা সকল পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছি।






Related News

Comments are Closed