Main Menu

চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির টহল নওগাঁর সীমান্তে


মো:সোহেল রানা,নওগাঁ জেলা,প্রতিনিধিঃনওগাঁর সীমান্তে গরু ও মাদকদ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল জোরদার করা হয়েছে; সেই সঙ্গে বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।শুক্রবার  রাতে পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের (১৪ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম নাদিম আরেফিন সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর কোরবানির ঈদ সামনে রেখে আগ মুহূর্তে সীমান্তে চোরাকারবারিদের গরু পারাপার এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক নিয়ে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। কোরবানির ঈদের বাজারে ভারতীয় গরু উঠানোর ফলে দেশীয় গোখামারিদের লোকসান গুনতে হয়। এছাড়া সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মাদক আসার ফলে মাদকাসক্তের প্রবণতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি উঠতি বয়সীরা নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে।পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের অধীনে জেলার সাপাহার, ধামইরহাট সীমান্ত এলাকা। এসব সীমান্ত দিয়ে গরু চোরাচালান বাড়তে পারে। এসব সীমান্তবর্তী এলাকার যারা চোরাচালান ও অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত, সম্প্রতি তাদের তৎপরতা বেড়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জেনেছে বিজিবি।সীমান্তে অপরাধ প্রবণতা বাড়লে চোরাচালান বৃদ্ধিসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত জনসাধারণের জানমাল ও জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়ে দাঁড়াবে। এ ছাড়া কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে আন্তঃদেশীয় সীমান্ত দিয়ে এ ধরনের অবৈধ পারাপার সংক্রমণ ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম নাদিম আরেফিন সুমন বলেন, বর্ষায় আত্রাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ ব্যাটালিয়নের আওতাভুক্ত এলাকায় গরু চোরাচালান ও মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের তৎপরতা বাড়তে পারে বলে গোয়েন্দা সূত্র জানায়।এ অবস্থায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি, কোম্পানি, বিওপি পর্যায়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় গরুসহ অন্যান্য অবৈধ পণ্য চোরাচালান প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। সীমান্তের চিহ্নিত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণসহ টহল তৎপরতার মাধ্যমে সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।






Related News

Comments are Closed