Main Menu

গোবিন্দগঞ্জে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ টি পরিবার নদী গর্ভে বিলীন

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এখন বিপদ সীমার নিচ দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে পানি নদীতে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
গত ২৯ জুন (সোমবার) সকালের তথ্য অনুযায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান, কাটাখালী পয়েন্টে করতোয়া নদীর পানি .৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে -বিপদসীমার ২.৭৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ২৮ জুন উপজেলার কাটাখালী নদীর তীর ঘেষা হরিরামপুর ইউনিয়নের পার ধন্দিয়া গ্রামের ১৫ টি পরিবার ভাঙ্গনের কবলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ সব পরিবারের লোকজন শেষ আশ্রয়স্থল হারিয়ে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করলেও জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এখনও ভাঙ্গণ কবলিত এলাকা পরিদর্শণ করেনি বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয়রা এ নদী ভাঙ্গনকে দায়ী করছে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে। দীর্ঘদিন যাবৎ ওই এলাকায় কাটাখালী নদীর বাঁধ নির্মাণে টেন্ডারের নামে সময় কালক্ষেপন ও টেন্ডার হলেও সময়মতো ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়নি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে ভিন্ন কথা।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মাহবুবুল আলম জানান, ওই এলাকায় বাঁধ নির্মাণে টেন্ডার হলেও করোনার কারণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়নি। যেহেতু নদী গর্ভে বাড়ী ঘর ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। যাতে নতুন করে আর কোন বাড়ী ঘর ভাঙ্গণের কবলে না পড়ে, এ কারণে দু’একদিনের মধ্যে কাজ শুরু করানো হবে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ বর্মণের কাছে নদী গর্ভে বিলীণ হওয়া বাড়ী ঘরের স্থান পরিদর্শণ করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন নদী গর্ভে বাড়ী ঘর বিলীন হওয়ার বিষয়টি অবগত আছেন। তবে যে কোন সময় ঘটনার স্থল পরিদর্শণ করে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






Related News

Comments are Closed