Main Menu

মতলবের অপকর্মের মূলহোতা বালু খেকো কাজী মিজান

বিশেষ প্রতিবেদক :মতলব উত্তর উপজেলার কথিত আওয়ামীলীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান এখন অন্যতম আলোচিত নাম। উপজেলার অনেকেই তাকে চেনেন বালু মিজান নামে। তবে কিভাবে হল এই মিজানের উত্থান? 
মতলব উত্তর উপজেলার অংশে মেঘনা নদী থেকে দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও অবৈধভাবে তেল বিক্রি করে কয়েকশত কোটি টাকার মালিক হয়েছে কাজী মিজান ও তার ভাই কাজী হাবিব, কাজী মতিনরা। দীর্ঘদিন যাবৎ এ বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকায় হুমকির মুখে পড়েছে মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বাঁধ। তাছাড়া এ বালু উত্তোলনের কোনো বৈধতা না থাকায় সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে। 
প্রায় ৭-৮ মাস যাবৎ থেকে নতুন ব্যবসা মেঘনা নদীতে আসা দুরপাল্লার জাহাজ থেকে অবৈধভাবে ভাবে ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে কেরোসিন, ডিজেল ক্রয় বিক্রয় করছেন। এসব চোরাই তেলের ব্যবসার বিষযে থানা পুলিশ কিংবা নৌ পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃত মালিক পক্ষ চোরাই তেল ব্যবসা করে কোটিপতি বনে গেছেন মিজান ভ্রাতৃদ্বয়। 
কাজী মিজানের রাজনীতির ইতিহাস বড়ই নির্মম। ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৯১ সালে দাপুটে বিএনপি নেতা ছিলেন।ক্ষমতা পালা বদলের কারনে ১৯৯৬ সালে সুবিধা নেওয়ার জন্য আওয়ামী রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০০১ সালে ১লা অক্টেবরের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতা  আসলে পুনরায় যোগ দেন বিএনপিতে। কারিকারি টাকা থাকার কারনে বিএনপিতে যোগ দিয়েই বাগিয়ে নেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ। 
বৃহত্তর মতলবে একজন ভাগ্যবান বালু ব্যবসায়ী কাজী মিজান যার কোন বিরোধী দল নেই। উনি সবসময় সরকারী দলের পক্ষের লোক। দল পরিবর্তন করেছেন ডজন বার। তার পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে স্বত:স্ফর্তভাবে জড়িত। কাজী মিজানের ভাই কাজী হাবিব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আবস্থায় ছাত্রদলের প্রভাবশালী নেতা ছিল। ছোট ভাই মতিন সদ্য বিলুপ্ত মতলব উত্তর যুবদলের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তারাই এখন আ’লীগের রাজনীতির ধারক ও বাহক।
গোপন সূত্রে জানা যায়, কাজী মিজানুর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কোন সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের রাজণীতির সাথে জড়িত নয়। অবৈধ বালু ব্যবসাকে পুঁজি করে গড়ে তুলেছেন সাম্রাজ্য । গাজীপুরে বায়িং হাউজ, গার্মেন্টস’সহ অসংখ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন আওয়ামীলীগ নেতা জানান, শেখ হাসিনার নির্দেশ ছিল, এখন থেকে অন্য কোন রাজনৈতিক দল থেকে আওয়ামীলীগে যোগদান করানো যাবেনা। কিন্তু শেখ হাসিনার বিধি নিষেধকে উপেক্ষা করে গত কয়েকদিন পূর্বে কিছু বিএনপি সন্ত্রাস উশৃক্সখলকারীদের আওয়ামীলীগে যোগদান করানো হয়েছে। তাতে আমরা মর্মাহত। এর সুবিচারের প্রার্থনা করেন তিনি।
ভোক্তভোগীরা জানান, কাজী মিজান তৃণমূল আওয়ামী লীগে অস্থিরতা সৃষ্টিকারী, দলীয় নেতাকর্মীদের কোণঠাসা করে রাখা প্রভাবশালী নেতা, অবৈধভাবে টাকা উপার্জন করে সম্পদের পাহাড় গড়া নেতাদের মধ্যে অন্যতম। তাহার রাজকীয় জীবন যাপন দেখলে মনে হয়, তার পূর্ব পুরুষরা সৌদীর বাদশা ছিলেন। তার রয়েছে নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী গত কয়েক মাস পূর্বে দেশীয় অস্ত্রসহ সহ মেঘনা নদীতে তার ১৪ ক্যাডার ধরা পড়ে। শুধু তাই নয়, নিজ ইউনিয়নের বাহেরচরে দলীয় কার্যালয়ে আগুন দিয়ে নিরপরাধ লোকজনদের হয়রানি করছে এই মিজান। 
উপরোক্ত বিষয়ে কাজী মিজান প্রতিবেদকে বলেন, আমার ও আমার পরিবারের উপর মিথ্যা তথ্য দিয়ে যে নিউজ উপাস্থাপন করা হয়েছে। তা সঠিক নয়।






Related News

Comments are Closed