Main Menu

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মতলব উত্তরে চলছে মিজানের মিথ্যা মামলার খেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুরে চলছে কাজী মিজানের মিথ্যা মামলার খেলা। নিজ গ্রুপে যোগ না দিলেই তার উপর নেমে আসে মিথ্যা মামলা ও শারীরিক নির্যাতন ভয় প্রদর্শন ইত্যাদি। 
সরেজমিনে জানাযায়, মোহনপুর ইউপির বাহেরচরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কাজী মিজান গ্রুপের সাথে স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ুনের লোকজনের সাথে কয়েক দফা সংঘর্ষ ইতিমধ্যে সংগঠিত হয়েছে। কাজী মিজানের পক্ষে ইউপি সদস্য শাহাদাত গ্রুপের নেতৃত্বে দেয়। গত ১৭মে রবিবার ভোরে দুগ্রুপের সংঘর্ষে আট আহত হয়েছে। প্রায় দু’ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, ২এপ্রিল মোহনপুর ইউনিয়নের চরওয়েস্টার গ্রামের রমিজ উদ্দিন সিকদারের ছেলে  জাহিদ সিকদারকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করে কাজী মিজানের লোকজন। আটক করে মতলব উত্তর থানাকে খবর দেয়। তা ছিল সম্পূর্ন নাটক ও লোক দেখানো। এই রিভালবার ছিল কাজী মিজানের ক্যাডার ইউপি সদস্য শাহাদত মেম্বারের ছোট ভাইয়ের। শুরু হয় চরের উত্তপ্ত জীবন।
১৭মে রবিবার ভোরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কাজী মিজান গ্রুপের সাথে স্থানীয় ইউপি সদস্য হুমায়ুনের লোকজনের সাথে কয়েক দফা সংঘর্ষের জেরে ১৬জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে কাজী মিজানের গ্রুপ। যদিও মামলায় হমায়ূন খালাসীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সে প্রায় দু’মাস পূর্বে কাজী মিজান গ্রুপ তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তার ডান পা ও বামহাত ভেঙ্গে দেয় সে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসারত আছে। মামলায় উল্লেখিত আসামীদ্বয় কেউ এলাকায় নেই। এই সুবাদে সর্বশেষ ১৮মে দলীয় কার্যালয়ে ও নিজ ঘরে আগুন দেয় এবং জাতীয় নেতৃবৃন্দের ছবি ভাংচুর করে কাজী মিজান গ্রুপ। জাতীয় নেতৃবৃন্দের ছবি ভাংচুর করার দায়ে গত ২৪ মোঃ নুরে আলম বাদী হয়ে ১৬ জনকে বিবাদী করে থানা মামলা দায়ের করা হয়। এই দলীয় অফিসটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের অর্থায়নে ও ইউপি সদস্য হুমায়ুন খালাসীর প্রচেষ্টায় নির্মাণ করা হয়েছে। 
স্থানীয় শিপন খান জানান, মেঘনায় অবৈধ বালু ব্যবসা নিজের একক নিয়ন্ত্রনে নেওয়ার জন্য কাজী মিজান সদ্য সমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে স্থানীয় সাংসদদের পিছনে প্রচুর অর্থ ইনভেষ্ট করে। বিধায় মেঘনায় যত বৈধ অবৈধ ব্যবসা মিজান ও তার ভাইদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়। সে আওয়ামী লীগের বড় নেতা দাবী করলেও  কাগজ কলমে তার নাম নেই আওয়ামীলীগ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের কোন কমিটিতে।  মিজান আওয়ামীলীগের কেউ নন। সে এবং তার পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত। 
এখনও মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামীলীগের কমিটির প্রাথমিক সদস্য পদ নেই তার। অর্থের জোরে সে আমাদের নিয়ন্ত্রক হতে চায়। এটা কোন ভাবে কাম্য নয়। গত ৪ ফেব্রুয়ারী কাজী মিজানের ভাড়াটিয়ে ১৪ ডাকাত অস্ত্রসহ চাঁদপুরে সদরের লগ্নিরচর থেকে আটক করে চাঁদপুর কোস্টগার্ড। মোটা অংকের টাকা খরচ করে তাদেরকে কোস্টগার্ড থেকে মুক্ত করে আনে মিজান। শান্ত মতলবকে আশান্ত করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে সে। কয়েকদিন পূর্বে কলাকান্দা ইউপির সাবেক মেম্বার আইয়ুুব আলীকে ডেকে নিয়ে তার বাড়ীতে রক্তাক্ত করে তার ক্যাডার বাহিনী। এখন যদি তাকে আমরা প্রতিরোধ না করি তাহলে আমরা চরে বসবাস করতে পারব না। তার প্রশয় পেয়ে শাহাদাত মেম্বারও খুব আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছে।পুরুষ শূন্য পুরো এলাকায় মিজানের লোকজন অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয় মহড়া দিয়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়।
মেহানপুরের মিথ্যা মামলার খেলা বন্ধ ও কাজী মিজানের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এর সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন চরাঞ্চলের নিরীহ জনগন।






Related News

Comments are Closed