Main Menu

লকডাউনের নামে তাঁমাশা


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নিয়ম বহির্ভূত লকডাউনের নামে তাঁমাশা ও ব্যাক্তিগত শত্রুতার কারনে একটি পরিবার প্রহসনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন যূবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুরের মতলব পৌরসভার উত্তর নলুয়া এলাকার হাওলাদার বাড়িতে। গত ১৯ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানে না এলাকার জন-প্রতিনিধিসহ স্থাণীয় প্রসাশন। এ ধরনের তাঁমাশা নিয়ম বহির্ভূত লকডাউন ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও সঠিক ব্যাবস্থার দাবী এলাকার সচেতন মহল।
জানাযায়, চাঁদপুরের মতলব পৌরসভার উত্তর নলুয়া এলাকার হাওলাদার বাড়ির সিরাজ হাওলাদারের নাতি মহামারি করোনা ভাইরাস বহন করে গত ১৮ এপ্রিল নারায়নগঞ্জ থেকে তাদের বাড়িতে আসে এমনি সন্দেহ এলাকার কয়েকজন যূবকের। এলাকার যূবকদের ধাওয়া খেয়ে ঐ বাড়ি থেকে পালিয়ে পাশ্ববর্তী খাদেরগাঁও ইউনিয়নের নাঁগদা গ্রামে তার এক খালার বাড়িতে উঠে সিরাজ হাওলাদারের নাতি। সেখানেও এখবর ছড়িয়ে পরলে তার খালা তাকে বাড়িতে থাকার যায়গা দিতে রাজি না হওয়ায় সে পূনরায় নারায়নগঞ্জ চলে যায়। পরে নলুয়া এলাকার দুলাল বেপারী, মুকুল দেওয়ান, মোজাম্মেল প্রধান, ও উজ্জলসহ উৎসোক কয়েকজনের নেতৃত্বে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত নয়ন নামের এক স্থাণীয় মাঠ স্বাস্থ্যকর্মীকে বিষয়টি অবহিত করলে সে এসে লাল কাপড় উড়িয়ে এক সপ্তাহের জন্য ঐ বাড়িটি লকডাউন করে দেয়।
এলাকার হান্নান কাজী, দেলোয়ার প্রধানসহ একাদিক ব্যাক্তি বলেন, সিরাজ হাওলাদারের নাতি যাদি বাড়িতে এসে থাকতো তাহলে তাকে হোম-কোয়ারেন্টে রাখা দরকার ছিলো। তা না করে এলাকার যূবকরা তাকে সেখান থেকে ধাওয়া দিয়ে নাগদা ও শেষ পর্যন্ত আবার নারায়নগঞ্জ যেতে বাধ্য করেছে এটা মোটেই উচিৎ হয় নাই। সে যদি করোনা ভাইরাস বহন করে নিয়ে এসে থাকে তাহলে তার হোম-কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত ও তাকে পর্যবেক্ষন করা ছিল এলাকার যূবকদের সঠিক কাজ। এছাড়াও লকডাউনে রাখা পরিবারটির মানব অধিকার রক্ষা করা তাদের দরকার ছিল।
মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত স্থাণীয় মাঠ-স্বাস্থ্যকর্মী নয়ন বলেন, খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে দেখতে পাই দুলাল বেপারীসহ এলাকার যূবকরা লাল কাপড় উড়িয়ে বাড়িটি লকডাউন করে রেখেছে। তবে ঐ বাড়িতে নারায়নগঞ্জ থেকে আসা কাউকে আমি দেখতে পাইনি।
দুলাল বেপারীসহ অভিযুক্তরা বলেন, মাঠকর্মী নয়ন এসে ঘটনা জেনে লাল কাপড় উড়িয়ে বাড়িটি লকডাউন করেন এখন মিথ্যে বলছেন।
কাউন্সিলন আহিজল বলেন, একটি বাড়ি তখনিই লকডাউন হবে যখন ঐ বাড়ির কেউ করোনা ভাইরাস পজেটিভ হবে, এলাকার প্রতিনিধি, স্থাণীয় প্রসাশন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের মাধ্যমে। এতো বড় একটি ঘঁটনা ঘটলো আমিতো কিছুই জানি না।
সিরাজ হাওলাদারের প্রবাসী ছেলে জাহাঙ্গীর তার ছোট ভাই আক্ষেপ নিয়ে বলেন, পূর্বশত্রæতার কারনে,আমার ভাগিনা নারায়নগঞ্জ থেকে আমাদের বাড়িতে আসার দোহাই দিয়ে এলাকার কয়েকজন যূবক প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে লকডাউনকে হাতিয়ার বানিয়ে আমার পরিবারের উপর প্রতিশোধ নিয়েছে। প্রসাশনকে না জানানোর কারন জানতে চাইলে তারা বলেন, তারা দলীয় ও আইনীভাবে প্রভাবশালী আইন আমাদের কথা বলবে না তাই আমরা আল্লার উপর ছেড়ে দিয়েছি, আল্লাহ্ জেন তাদের বিচার করে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা গোলাম মাওলা হীমেল বলেন, আমি তার মোবাইল ফোনে তার বাবা মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি , ঐ ছেলেটি নারায়নগঞ্জে রয়েছে, এছাড়া মাঠকর্মী নয়ন এমনিই রিপোর্ট দিয়েছে।






Related News

Comments are Closed