Main Menu

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী প্রয়াত ওয়াসীর পরিবারের পাশে পুলিশ কর্মকর্তা শাহেনশাহ মাহমুদ

বোরহান উদ্দিন ডালিমঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মী এস.এম.ওয়াসী। ২০১৯ সালের ২০ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলনে হিটস্ট্রোকে মারা যায় ওয়াসী। ক্লাস ফাইভে বাবাকে হারানো ওয়াসী আর ওর ছোট ভাইকে মা’ই মানুষ করেছেন। মিরপুরে একটি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসালয় চালান ওয়াসীর মা। ছোটভাই ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ওয়াসী ছিল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিবেদিত প্রাণ কর্মী। স্বামীহারা, বড় সন্তানহারা অসহায় মা’র পাশে কতটুকু দাঁড়াতে পেরেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সে প্রশ্ন অনেকের। প্রয়াত ওয়াসীর মা আর ভাইয়ের ছোট্ট পরিবারটির দিকে খেয়াল রাখাটা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগের মত এত বড় সংগঠনের জন্য মোটেও কঠিন কিছু না। সে সময় ওয়াসীকে নিয়ে দেশের জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতেও নিউজ হয়েছে। চাইলেই পরিবারটির দায়িত্ব নিতে পারত কোন আওয়ামী লীগ বা সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। সেই অর্থে ছায়া হয়ে কেউ দাঁড়ায়নি পাশে। তবুও থেমে নেই ওদের জীবন; চলে যাচ্ছে। ওয়াসীর করা সংগঠনের সামর্থ্যবান মানুষেরা খেয়াল রাখলে হয়ত আরও মসৃণ হত বিধবা মা আর এতিম ছোট ভাইটির পথচলা।

দেশে চলমান করোনা সংকটে বন্ধ ওয়াসীর মায়ের হোমিওপ্যাথি চেম্বারও। এই মুহূর্তে প্রয়াত ওয়াসীর পরিবারের পাশে থেকে নিয়মিত খোঁজ খবর রাখছেন ওয়াসীর বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক বড় ভাই মানবতার সেবায় আত্মপ্রত্যয়ী ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা শাহেন শাহ মাহমুদ। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার।

এ ব্যাপারে কথা হলে এডিসি শাহেন শাহ মাহমুদ বলেন, ‘ওয়াসী আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোটভাই। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ছাত্র রাজনীতি করেছে সে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত। ওর পরিবারের নিয়মিত খোঁজ খবর রাখা আমাদের সবারই দায়িত্ব। আমি সীমিত আয়ের একজন সরকারি চাকুরিজীবী। আমি যতটুকু যেভাবে পারি ও’র পরিবারের একজন সদস্য হিসেবেই এখন ও ভবিষ্যতে সবসময় পরিবারটির খোঁজ-খবর রাখবো।Attachments area






Related News

Comments are Closed