Main Menu

পাওনা টাকা চাইতেই ছাঁদ থেকে ধাক্কা

  মোঃহাসানঃরাজধানীর দক্ষিণখান গাওয়াইর স্কুল রোড অবস্থিত ইউরো- বাংলা অ্যাপার্টমেন্ট।প্রায় দুই বছর যাবৎ রাজউকের নিয়ম নীতি না মেনে অনিয়মের সাথে ভবনটির নির্মাণ  কাজ চলছে। ভবনটির সম্পর্কে এলাকাবাসী বারবার অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি ইউরো-বাংলা কতৃপক্ষ। গত২৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের মত জাহাঙ্গীর হোসেন কন্টাকটার রফিক এর নেতৃত্বে কাজে আসেন।বিকাল আনুমানিক ০৩ ঘটিকার সময় জাহাঙ্গীর তার পাওনা টাকা চায় কন্টাকটার রফিকের কাছে। রফিক জানায়, আজ ভবনের মালিক আসছে  তুমি তার কাছে জাও। জাহাঙ্গীর ভবন মালিকের কাছে গিয়ে টাকা চাইলেই ভবন মালিক হারুনুর রশিদ জাহাঙ্গীরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও চড়থাপ্পড় মারে। জাহাঙ্গীর কন্টাকটার রফিকের কাছে বলে, আমি আপনার কাজ করবো না, আমার পাওনা টাকা  আমাকে দিয়ে দেন।রফিক  জাহাঙ্গীরকে বলে তুই কাজ কর আমি তোর টাকা আজ সব দিয়ে দেব, বলে ০৫ তলায় ডেকে নিয়ে যায় এবং কাজের ছলে সুযোগ বুঝে জাহাঙ্গীরকে ০৫ তলা থেকে ধাক্কামেরে ফেলে দেয়।জাহাঙ্গীরের পরিবার জানতে পেরে ঘটনা স্থলে গেলে জাহাঙ্গীরকে  অজ্ঞান অবস্থায় নির্মম ভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়।জাহাঙ্গীরের পিতা মোঃআনোয়ার হোসেন দ্রুত স্থানীয় কেসি হাসপাতালে নিয়ে যায়।ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে, পরীক্ষা নিরিক্ষা করে বলেন, তার ডান পা,ডান হাত ভেঙে গেছে, ওনাকে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যান, বলে পরামর্শ দেন। কন্টাকটার রফিকের কাছে জাহাঙ্গীরের পিতা আনোয়ার হোসেনছেলের কাজের পাওনা টাকা চাইতে গেলে, কন্টাকটার রফিক জানান,আমি ধাক্কা মেরেছি যদি আপনার ছেলে বলে, তাহলে আমি বেতনের টাকা হতে  চিকিৎসার জন্য একটি পয়সাও দিব না। নিরীহ আনোয়ার হোসেন  কোন তর্কে না গিয়ে বলেন, আপনি যা বলবেন আমি তাই শুনবো।ইতিমধ্যে আনোয়ার হোসেন তার ছেলেকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করে।টাকা যোগাতে না পরে  ২০ দিন চিকিৎসা নিয়ে আনোয়ার হোসেন তার ছেলে জাহাঙ্গীরকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসে। কন্টাকটার রফিক এর পর থেকে আর কোন খোঁজ খবর  নেন নি  জাহাঙ্গীরের পরিবারের।  গত২৪/০৩/২০২০ইং তারিখ জাহাঙ্গীরের পিতা আনোয়ার হোসেন নিজে বাদী হয়ে  দক্ষিণখান থানায় একটি  মামলা দায়ের করেন যাহার নং ৫১। মামলা করার পর ১ নং আসামী  কন্টাকটার রফিক ও২ নং আসামী হারুনুর রশিদ মামলার বাদী আনোয়ার হোসেনকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। মামলা হওয়ার ১ সপ্তাহ পার হলেও কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ । উক্ত বিষয় সম্পর্কে মামলার আয়ু- কে এম মাহামুদুল হাসান আমাদের প্রতিবেদককে জানান,আসামী পলাতক রয়েছে, ধরার প্রক্রিয়া চলছে।






Related News

Comments are Closed