Main Menu

করোনা ভাইরাস আতংকে কেশবপুরে মাক্স কেনার হিড়িক \ অধিক দামে বিক্রি

শামীম আখতার, ব্যুরো প্রধান (খুলনা): করোনা ভাইরাস আতংকে কেশবপুর শহরে মাক্স কেনার হিড়িক পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে দোকান গুলিতে একই ভাবে মাক্স বিক্রি হচ্ছে। মাক্স কিনতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের ভিড় ছিল লক্ষনিয়
বাংলাদেশে ৩ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায়ার খবর প্রকাশের পর কেশবপুরে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর থেকেই মাক্স কেনার ধুম পড়ে যায়। মাক্সের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গত দুই দিনে দোকান গুলোতে মাক্স ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে।
পৌর শহরের বাঘ চত্বরের ইসলাম বস্ত্রালয়ের মালিক (মাক্স বিক্রেতা) আজাহারুল কবীর বলেন, দোকানে যে মাক্স ছিল তা গত দু’দিনে বিক্রি হয়ে গেছে। মাক্স কেনার হিড়িক পড়ায় নতুন বরে বেশি দামে মাক্স কিনতে হয়েছে। সে কারণে ক্রেতাদের নিকট বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আগে যে মাক্স আমরা ১০ টাকায় বিক্রি করতাম সেটা এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।
পৌর শহরের বাঘ চত্বরের অন্য একটি কাপড়ের দোকানে মাক্স কিনতে গেলে দেখা যায় তিনি ৫ টাকার মাক্স ২০ বিক্রি করছেন এবং ১০ টাকার মাক্স ৫০ টাকা দাম হাকান। এছাড়াও মঙ্গলবার বিভিন্ন দোকানে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় তারাও অধিক দামে মাক্স বিক্রি করছে।
ঊপজেলার কাস্তা গ্রাম থেকে কেশবপুর শহরের আসা মাক্স ক্রেতা আক্তার হোসেন জানান, বাংলাদেশে ৩ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় তিনি পরিবারের সদস্যদের জন্য মাক্স কিনতে আসেন এবং তিনিও মাক্স কিনে ব্যাবহার করছেন বলে জানান। তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মাক্স বিক্রি বেড়ে যাওয়া দোকান মালিকরা এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ১০ টাকার মাক্স ৩০ টাকায় তার নিকট বিক্রি করেছে। এ ব্যপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহিলা মাক্স ক্রেতা বলেন, তিনিও তার স্কুল পড়–য়া ছেলে-মেরে জন্য মাক্স কিনেছেন। তার নিকট থেকেও দোকান মালিক বেশী দাম নিয়েছেন বলে অভিযোগকারে বলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, সারা দেশে করোনা ভাইরাস আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। এ রোগের প্রধান লক্ষন হলো জ্বর,সর্দি,কাশি ও স্বাসকষ্ট । এ উপজেলায় এখনও পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে কেঊ সনাক্ত হয়নি। তবে মাক্স ব্যবহার করলে কিছুটা হলেও নিরাপদে থাকবে। অন্যের হাঁচি ও কাশি থেকে কিছুটা নিজেকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। বাহিরে বের হলে মাক্স ব্যাবহার করলে কিছুটা নিরাপদে থাকা সম্ভব। করোনা ভাইরাস আতংক না ছড়িয়ে জনসাধারণের ভিতর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।






Related News

Comments are Closed