Main Menu

শ্বশুর বাড়ির মিথ্যা মামলার শিকার অসহায় রেজোয়ান

প্রতিনিধিঃ চাঁদপুর জেলার মতলম পৌরসভার নলুয়া গ্রামের আকরাম আলীর ছেলে রেজোয়ান গত ছয় সাত বছর আগে পারিবারিক ভাবে পাশের গ্রামের আব্দুল হকের মেয়ে আকলিমার সাথে বিয়ে হয়।কিছুদিন ভালোই চলছিল তাদের সংসার হটাৎ রান্নাবান্না নিয়ে বৌ শ্বাশুরীর ঝগড়া হয়,এর রেস ধরেই ঝামেলা বারতে থাকে এভাবেই চলতে থাকে কয়েকদিন পরপর ঝগড়া এক সময় ঝগড়া করার সময় রেজোয়ানের বাবা আকরাম আলীর গায়ে হাত তোলেন রেজোয়ানের স্ত্রী আকলিমা সেই শোকে কিছুদিন হৃদরোগে আকরান্ত হয়ে কিছুদিন অসুস্থ থেকে মারাযান আকরাম আলী ।

এরপরও ভালোই চলছিল তাদের সংসার কয়েক মাস কয়েকমাস পর আবার শুরু হয় বৌ শ্বাশুরৗর ঝগড়া ,ঝগড়া শুনে রেজোয়ানের শ্বাশুরী তাদের বাড়িতে আসে এবং রেজোয়ানের স্ত্রী ও শ্বাশুরী মিলে রেজোয়ানের মায়ের সাথে ঝগড়া করে এক সময় মা মেয়ে মিলে রেজোয়ানের মাকে মেরে ফুলা যখম করে ।এসব ঘটনার পর রেজোয়ান তার স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করেদেয়।সিদ্ধান্ত নেয় এমন স্ত্রীর সাথেআর সংসার করবেনা, এভাবে চলতে পারেনা যার কারনে বাবাকে হারালাম বাবাকে হারিয়েও ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে অতীতের সব ঘটনা ভুলে সংসার করতে চেয়েছিলাম।

ভেবেছিলাম হয়তবা সে নিজেকে সংশোধন করে নেবে,কথায় বলে চোরে শোনেনা ধর্মের কাহিনী।বাবার মৃত্যুর পর এখন আবার মায়ের গায়েওহাত তুল্ল আমার স্ত্রী ও শ্বাশুড়ী,আমার সিদ্ধান্ত শুনে শ্বশুর বাড়ীর লোকজন আমার নামে মামলা দায়ের করে ,সেই মামলায় আমি কিছুদিন হাজতবাস করি সামাজিক মাতব্বরদের মাধ্যমে মীমাংশা করে আমি জেল থেকে বেরহই,আবার শুরু হয় আমাদের সংসার ।

কয়েক মাস ভালোই চলছিল আবারও শুরু হলো আমার মা ও স্ত্রীর ঝামেলা ,সেই ঝামেলা মেটাতে এসে আমার শ্বাশুরীও স্ত্রী মিলে আমার মাকে মেরে কান ফাটিয়ে দেয়,ঘটনার পর রাজন সামাজিক মাতব্বরদের একজন বিল্লাল তার সাথে কথা বলে এবং তাকে জানায় কোন ভাবেই এমন স্ত্রীর সাথে থাকা যায়না সে আরও বলে হয়তবা এই স্ত্রীর জন্যই বাবার মত মাকে হারিয়ে আমাদের এতিম হয়ে যেতে হবে।

আমি নিজের সুখের জন্য মাকে হারাতে পারবোনা তখন বিল্লাল নামের ঐ ব্যক্তি রেজোয়ানকে বলে তুমি এক সপ্তাহর মধ্যে দুই লক্ষ টাকা ব্যবস্থা কর, আমি তোমাদের ঝামেলা একেবারে শেষ করে দেব। তখন রেজোয়ান তাকে বলে আমাকে এক মাসের সময় দেন ,এতগুলো টাকা একসপ্তাহর মধ্যে কোথায় পাব ধার দেনা ও এন জিওর কাছ থেকে ঝৃন গ্রহন করে টাকা পরিশোধ করতে হবে ।

কিন্তু বিল্লাল সময় দিতে নারাজ তিনি বলেন এক সপ্তাহর মধ্যই যা করার করতে হবে ।তা না হলে তোমার স্ত্রীর বাবা তোমার নামে আবার মামলা দায়ের করবে ঠিক সেই ঘটনাই ঘটল।এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা দিতে না পারায় আমার নামে আরো একটি ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে আমাকে হয়রানি করাহলো আমি বুঝতে পারছিনা আমি পুরুষ বলেই কি বার বার নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করা সহজ অতচ নির্যাতিত হচ্ছে আমার পরিবার বাবাকে হারালাম আমি মারখেল আমার মা, হাযত বাস করলাম আমি টাকা গেল আমার, টাকাদিব আমি মামলার ভয় ও পাব আমি,

অথচ অন্যায় করেও আমার স্ত্রী নারী নির্যাতনের দোহাই দিয়ে অমার পরিবারকে বিপদে ফেলছে, কস্টের বিষয় এইযে আমি সেই অপরাধীর নামে কোন মামলা দায়ের করতে পারছিনা কারন আমাদের সমাজে পুরুষদের জন্য কোন ব্যবস্থা নেই ।

আমি মাত্র দশহাজার টাকা বেতনে টাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করি, কোথায় পাব এক সাথে দুই লক্ষ টাকা। যেখানে আমারজন্ম হয়েছে অজপাড়া গায়ের একটি অসহায় পরিবারে বাবা কাজ করতেন শহরের একটি জুট মিলে,একসময় অনেক ধার দেনা করে ভালো থাকার স্বপ্নে পারিজমান মালোশিয়ায়, কিন্ত সেখান থেকে কিছুদিন পর তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়,শুরু হলো পরিবারের অভাব অনটন।

আমি রেজোয়ান তখন অনেক ছোট একদিন সকাল বেলা আমরা যখন ভাইবোনেরা ভাতখেতে বসলাম তখন আজরাঈল হয়ে ঘরের সামনে হাজির হয় একটি কুকুর আমি যখন কুকুরটিকে তাড়াতে গেলাম তখন কুকুরটি আমাকে কামরাতে লাগল আমার চিৎকার শুনে বড় ভাই লিটন আসে আমাকে বাচাতে তখন আমাকে ছেড়ে বড় ভাই লিটনকে কয়েকটি কামরদেয় কুকুরটি, অস্স্থু হয়ে পরি আমার দুইভাই আল্লাহ আমাকে বাচিয়ে রাখলেও কয়েক দিনের মধ্যে আমাদের ছেড়ে পড়পারে চলেযায় আমার ভাই।

বাড়তেই থাকে পরিবারের করুন অবস্থা প্রায় অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটতে থাকে আমাদের তখন সংসারের হাল ধরতে আমার বড় দুই বোন ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজপায় সেই সুত্রে আমিও ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজশুরু করি। ভালোই চলছিল আমাদের সংসার।

বাবা মা বাড়িতে একা তাদের সুবিদার জন্যই তারা আমাকে বাড়ির পাশে বিয়ে করান ,ভালো থাকতে গিয়ে আমার মা আজ বিধবা এবং মামলার আসামি,আল্লাহর দুনিয়াতে কি বিচার নেই ?নারী নির্যাতনের যাতাকলে পরে পুরুষেরা কি কখনই সুবিচার পাবেনা?এভাবেই কান্না জরিত কন্ঠে কখা গুলো বলছিলেন অসহায় রেজোয়ান।






Related News

Comments are Closed