Main Menu

ব্যবসায়ির স্ত্রীর সাথে পরোকিয়া প্রেমে অবৈধ বসবাস।

 হাসানঃ রাজধানীর উত্তর সিটির দক্ষিণখান থানাধীন মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার(৪৬) ও তাঁর স্ত্রী রোজিনা আক্তার চৌধুরী(৩০) আইনুছ বাগ মসজিদ সংলগ্ন এক ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন দীর্ঘ দিন ধরে। এদিকে জাকিরের স্ত্রী রোজিনা চৌধুরী গোপনে দক্ষিণখান চাঁদনগর এলাকায় বসবাসরত মোঃ রাসেল নামে এক ছেলের সাথে পরোকিয়া প্রেমে লিপ্ত। সুত্রে জানা যায় গত ২৬ জানুয়ারি স্বামী জাকির মজুমদার তার গ্রামের বাড়ি গেলে জাকিরের স্ত্রী রোজিনা বাসা থেকে নগদ ২ লাখ টাকা এবং ৩ ভোরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে প্রেমিক রাসেলের সাথে পালিয়ে যায় এবং বিয়ে না করে রোজিনা ও রাসেল একত্রে রাসেলদের আইনুছবাগ চাঁদ নগর ভাড়া বাসায় অবৈধ ভাবে বসবাস করছেন। এদিকে জাকির মজুমদার বিষয়টি জানতে পেরে দক্ষিণখান থানায় একটি অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেন। সূত্রে আরো জানা যায় অভিযোগের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থানার এএসআই হাসান অভিযোগ হাতে পেয়ে গতকাল ৩ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৪ টায় রাসেলের বাসায় তদন্তের জন্য গেলে প্রথমাবস্থা এএসআইকে জাকিরে সাবেক স্ত্রী রোজিনা বলেন ১৫ দিন আগে জাকিরকে ডিভোর্স দিয়েছেন এবং রাসেল রোজিনাকে কাবিন করে বিয়ে করেছেন অথচো ৪ দিন পূর্বেও জাকিরের সাথে সংসার করেন রোজিনা। আবার রোজিনা দক্ষিণখান থানার ওসি শিকদার শামীমের সামনে বলেন ১ বছর পূর্বে রোজিনা ডিভোর্স দিয়েছে অথচো ৪ পূর্বেও জাকিরের সংসারে রোজিনাকে দেখা যায়। এদিকে দক্ষিণখান থানার এএসআই ও সাংবাদিকরা রোজিনা ও তার প্রেমিক মোঃরাসেলের কাছে বিয়ের কাবিনের কাগজ দেখতে চাইলে ও রোজিনার ডিভোর্সের কগজ দেখাতে চাইলে তা তারা দেখাতে ব্যার্থ হয় তখন বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যায়। এ বিষয়ে রাসেলের বাবা শেখ শামসুল হক মিন্টু বলেন, আমি আমার ছেলেকে বিয়ে দিয়েছি কিন্তু মেয়ের ডিভোর্স হয়েছে কিনা না জানিনা। তথ্য নিয়ে জানা যায়,রাসল ইতিপূর্বে এভাবে আরো মেয়ের সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদের নিরবে ধর্ষন করে আসছে এবং সেই সাথে এই রোজিনা ও জাকিরের সংসার করাবস্থা টাকার লোভে স্বামী ব্যবসার কাজে বাহিরে থাকাবস্থায় অনেক পুরুষের সাথে অবৈধ মেলামেশারও তথ্য পাওয়া যায়। এই রোজিনার গ্রামের বাড়ি উত্তর সাংঘর,বানিয়াচং থানাধীন হবিগঞ্জ জেলায়। এ বিষয়ে এলাকাবাসি জানায় রোজিনাদের মত মেয়েদের কারনে এবং মোঃ রাসেলদের মত লম্পট ছেলেদের কারনে সমাজে অসামাজিক কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে। তাই এলাকাবাসী মনে করেন। এদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়া উচিত। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে মামলা প্রকৃয়াধিন চলছে।






Related News

Comments are Closed