Main Menu

মামলার সাক্ষীই জানেনা তাকে সাক্ষী বানানো হয়েছে মতলবে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর মিথ্যা মামলা করার অভিযোগ


মতলব প্রতিনিধিঃ গত ৩১ জানুয়ারি ২০২০ ইং বিকেলে মামলার আসামী রেজওয়ানদের বাড়িতে কোর্ট থেকে নোটিশ আসে। আর ঐ দিন রাত প্রায় ১০টার দিকে মামলার বাদীনি আকলিমার পিতা আব্দুল হক গাজী আমার বাড়িতে এসে আমাকে বলে আদালতে একটি মামলায় আমাকে সাক্ষী রেখেছে। বর্তমানে তাদের মধ্যে কি হয়েছে না হয়েছে তা আমি জানি না। সম্প্রতি একটি মামলায় ঘটনার সাক্ষী হিসেবে তিনি কি জানেন তা জানতে চাইলে এভাবেই এই প্রতিনিধিকে বিবরন দিতে থাকেন মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৬নং উপাদী দক্ষিণ ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য নাজমা বেগম।
সরেজমিনে জানাযায়, প্রায় ৭বৎসর পূর্বে মতলব দক্ষিণ উপজেলার পিংড়া গ্রামের আব্দুল হক গাজীর মেয়ে আকলিমা আক্তারের বিয়ে হয় পাশের মতলব পৌরসভার দক্ষিণ নলুয়ার মৃত আকরাম আলীর ছেলে রেজওয়ানের সাথে। বিবাহের পর তাদের বিবাহীত জীবন ভালোই কেটে যাচ্ছিল এবং তাদের সংসারে একটি পূত্র সন্তান রয়েছে। গত ২০১৮ইং সালে স্ত্রী আকলিমার দায়ের করা একটি মামলায় স্বামী রেজওয়ান হাজতে যায় এবং আপোষ হয়ে পূনরায় সংসার শুরু করেন তারা দুজন। স্ত্রীর প্রতি কিছুটা ক্ষোভ আর সেই সাথে চাকরির প্রয়োজনে নারায়নগঞ্জে অবস্থান করায় রেজওয়ান ও স্ত্রীর আকলিমা আক্তারের সাথে সম্প্রতি কিছুটা দূরত্বের সৃষ্টি হয়। এই কারনে সাংসারিক নানা প্রয়োজনে বাড়িতে থাকা রেজওয়ানের বৃদ্ধ মায়ের সাথে প্রায়ই জগড়া হতো স্ত্রী আকলিমা আক্তার্রে এবং এরিই দ্বারাবাহিকতায় গত কয়েকদিন পূর্বে রেজওয়ানের স্ত্রী আকলিমা আক্তার তার শাশুড়ী এই মামলার ২নং আসামী রশমতি বেগমের সাথে জগড়া করে এবং পাশেই পিংড়া গ্রামে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে গত ১৬ জানুয়ারি ২০২০ইং সালে চাঁদপুর আদালতে যৌতুক চেয়ে স্বামী ও শাশুড়ী মারধর করার কথা উল্ল্যেখ করে একটি যৌতুকের মামলা দায়ের করে।
মামলায় উল্ল্যেখ করা অন্যান্য সাক্ষীদের সাথে এ প্রতিনিধি যোগাযোগ করে যৌতুক চেয়ে মারধরের ঘটনায় তারা কি জানে জানতে চাইলে প্রায় সকল সাক্ষিই বর্তমানে যে মামলা হয়েছে এই মামলার ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানান। তবে বছর দুই আগে একটি মামলা হয়েিেছল আর সেই মামলায় রেজওয়ান জেলে গিয়েছিল পরে তারা আপোষ করে ফেলে। এছাড়াও জেল থেকে আসার পরে রেজওয়ানকে তেমন বাড়িতে আসতে দেখা যায়না।
মামলার বাদী আকলিমা আক্তার বলেন, বিয়ে করেছি স্বামীর কাছে থাকবো বলে ইদানিং আমার স্বামী তেমন খোজখবর নেয় না, আর স্বামী যদি খোজখবর না রাখে নিয়মিত বাড়িতে না আসে কার মূখের দিকে চেয়ে থাকবো। হয়তো স্বামীর কাছে থাকবো নয়তো ফয়সালা করে যাব তাই মামলা করেছি।
বাদীনির পিতা আব্দুল হকের কাছে বিষয়টি সামাজিকভাবে ফয়সালার প্রস্তাব দেয় এলাকার মাতব্বর এই মামলার সাক্ষী মনির হোসেন রাজা ও পূর্ব থেকে দুই পরিবারের সূখে দূঃখে জড়িত থাকা বিল্লাল হোসেন নামে এক ব্যাক্তি কিন্তু তিনি রাজি হয়নি।

এদিকে মামলার বাদী আকলিমা আক্তার বলেন স্বামী যদি খোজখবর না রাখে নিয়মিত বাড়িতে না আসে কার মূখের দিকে চেয়ে থাকবো।আবার আকলিমাই চাঁদপুর আদালতে যৌতুক চেয়ে স্বামী ও শাশুড়ী মারধর করার কথা উল্ল্যেখ করে একটি যৌতুকের মামলা দায়ের করে। স্তামী যদি বাড়িতে না্ই আসে তাহলে মারলো কি করে তাহলে কি স্বামীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার পায়তারা করছে ৎ






Related News

Comments are Closed