Main Menu

রূপগঞ্জে ধর্ষন মামলায় অভিযুক্ত তারাব পেীর ছাত্রলীগের সহসভাপতি ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গণধর্ষণের মামলার আসামি ছাত্রলীগ নেতা আবু সুফিয়ান সোহানকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুধু ধর্ষণ নয় মাদক ব্যবসায়ও সিদ্ধহস্ত তারাবো পৌর ছাত্রলীগের এই নেতা। গত ১০ জানুয়ারি সকালে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে আটক হয় সোহান। এর আগে ৯ জানুয়ারি দুপুরে রূপগঞ্জের এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে বন্ধুদের নিয়ে গণধর্ষন করে বলে অভিযোগ পাওয়াযায়। তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোহান রূপগঞ্জের রূপসী প্রধান বাড়ি এলাকার আবুল কালামের ছেলে। বর্তমানে সে মাদক মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে রয়েছে।
কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরীকে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করে তৌসিফ, আফজাল, সোহান ও তানভীরসহ অজ্ঞাত ২/৩ জন। পরে রূপসী ও কর্নগোপ এলাকার পৃথক দুটি বাড়িতে দুইদিন আটক রেখে কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে কিশোরীকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মৌচাক এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় আসামিরা। পরে তার পরিবারের লোকজন তাকে মৌচাক থেকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে গত শনিবার রাতে তৌসিফ, আফজাল, সোহান ও তানভীরসহ অজ্ঞাত ২/৩ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তৌসিফ ও আফজালকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ মামলায় পলাতক ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা আবু সুফিয়ান সোহান ও তানভীর। জানা যায়, গত ১০ জানুয়ারি সকালে সোহানকে ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার করেছে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে তাকে ধর্ষণ মামলায়ও গ্রেফতার দেখায় রূপগঞ্জ থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ জানান, একটি ব্যাগে করে ফেন্সিডিলসহ মোটর সাইকেলযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল সোহান ও তার এক সহযোগী। গত ১০ জানুয়ারি সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে যাবার সময় ভৈরব ব্রিজের নিচে একটি চেকপোস্টে তাদের সিগন্যাল দেয় পুলিশ। পুলিশ দেখেই পেছনের আরোহী পালিয়ে যায়। তবে সোহানকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে তার ব্যাগ তল্লাশি করে ৮৬ বোতল ফেন্সিডিল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ওইদিন দুপুরেই আদালতে প্রেরণ করা হয়।

এদিকে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, ধর্ষণ মামলা দায়ের করার পর ওই রাতেই দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে আরেক আসামি সোহান আশুগঞ্জ থানায় মাদকসহ গ্রেফতার হয়েছে বলে জানতে পারি। তাকে ধর্ষণ মামলায়ও গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাকে আশুগঞ্জ থেকে রূপগঞ্জে আনার ব্যবস্থা চলছে।


জানাযায় প্রভাবশালী একটি মহলের ছত্রছায়ায় থেকে মাদক ব্যাবসাকরতো। সে এদিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর সোহানকে ছাত্রলীগের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত ১২ জানুয়ারি রাতে রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আলম শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ ভূইয়া মাসুম স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে এ বহিষ্কারাদেশ দেয়া হয়।






Related News

Comments are Closed