Main Menu

রূপগঞ্জে দম্পতিকে আটকে রেখে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্র থেকে ইনচার্জ প্রত্যাহার ।

রূপগঞ্জে ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে এক দম্পতিকে পুলিশ ফাঁড়িতে আটকে রেখে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শফিকুল ইসলামের ফুফাতো ভাই হুমায়ূন হোসেনসহ দুই জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগী আজিজুল ইসলাম সুজন বাদী হয়ে একটি মামলাটি দায়ের করেন। বুধবার রাতে এ ঘটনায় ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক শফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় আলামিন নামে একজন গ্রেফতার করে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভোলাব ইউনিয়নের পাইস্কা এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে আজিজুল ইসলাম সুজন ও তার স্ত্রী কাঞ্চন এলাকার হানিফ হুজুরের বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করে আসছে। গত বৃহস্পতিবার বিকালে তার অন্তসত্তা স্ত্রী রোজিনা বেগমকে কাঞ্চন বাজারের নুপুর ফার্মেসীতে ডাক্তার দেখিয়ে ভাড়া বাড়িতে ফিরছিলেন।

তারা কালাদী স্ট্যান্ডে পৌছুলে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শফিকুল ইসলামের ভাই হুমায়ূন হোসেন ও তার সহযোগী আলামিন তাদেরকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঐ দম্পতিকে জোরপূর্বক কাঞ্চন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের কে আটকে রাখে। পরে তাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করে।

তারা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদেরকে ১০০পিছ ইয়াবা দিয়ে মামলা দেওয়ার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে ইনচার্জের ভাই ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগী আজিজুল ইসলামকে বেধড়ক পেটায় এবং তার অন্তসত্তা স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে আজিজুল ইসলাম সুজন তার মা হাসনারা বেগমকে খবর দিলে তিনি পুলিশ ফাঁড়িতে আসে।

পুলিশ পরিচয়দানকারী ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের ভাই চাঁদাবাজ হুমায়ূন হোসেন ও আলামিন হাসনারা বেগমকেও ইনচার্জের করে ভিতর নিয়ে যায়। পরে হাসনারা বেগম ৩৫ হাজার টাকার বিনিময়ে তার ছেলে ও ছেলের অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে ছাড়িয়ে নেয়।

এসময় ভুয়া পুলিশ পরিচয়দান কারীরা তাদেরকে এই ঘটনা নিয়ে জানাজানি হলে তাদেরকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।

এ ঘটনায় আজিজুল ইসলাম সুজন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর পুলিশ অভিযুক্ত আলামিনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় ইনচার্জ পরিদর্শক শফিকুল ইসলামকে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করা হয়।






Related News

Comments are Closed