Main Menu

চাঁদাবাজিতে বাধা দেওয়ায় পুলিশের উপর হামলা।



স্টাফ রিপোর্টারঃ  রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন পয়েন্টে ইজিবাইক, অটো রিকশা চালকদের কাছ থেকে কাউন্সিলর পরিচয়ে এক প্রতারক ও মাদক ব্যাবসায়ী নারী  জিবির নামে আদায়  করে নিচ্ছে প্রতিদিন অন্তত ২০ হাজার টাকার চাঁদা। পুলিশ প্রশাসনকে অগ্রায্য করে অনেকটা প্রকাশ্যই চলছে তার এই চাঁদাবাজি। এই লেডি চাদাবাজের নাম রাশি আক্তার। বাসা ফায়দাবাদের সালমা মার্কেট এলাকায়। মাদক ব্যাবসার সাথে জড়িত সে এবং তার পরিবার। বেশ কবার জেল খাটা আসামী রাশি আক্তার গত কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন ৪৬,৪৭,৪৮ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনে। নিজেকে আওয়ামীলীগের নেত্রী পরিচয় দেয়া রাশি আক্তারের নেই কোন পদ-পদবি। মানুষ তাকে মাদকসেবি এবং বিক্রেতা হিসেবেই চেনে, যার ফলে নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে তার ভালোবাবেই। ভোট পেয়েছেন হাতেগোনা ১০/১২ টি। কাউন্সিলর হতে না পারলেও প্রার্থী হবার ফায়দা তুলেছেন তিনি দুহাতেই। নিজেকে তিনি পরিচয় দেন কাউন্সিলর হিসেবেই। এই কাউন্সিলর পরিচয়েই তিনি “কুটুম বাড়ী” নাম দিয়ে সাথে নিজের নাম ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে স্টিকার লাগিয়ে পথে নামিয়েছেন প্রায় ২ শতাধিক রিকশা।  কসাইবাড়ি , জয়নাল মার্কেট ,দক্ষিণখান বাজার, আজমপুর থেকে উত্তরখান থানা এবং ময়নারটেক ও আবদুল্লাহপুর থেকে উত্তর খান,  বিএনএস সেন্টার এর অপজিট রাজউক কলেজের সামনে, আজমপুর হয়ে উত্তরা ৪ ও ৬ নাম্বার সেক্টরজুড়ে তার চাদাবাজির বিস্তার বলে জানা যায়। এসব এলাকায় লক্ষ লক্ষ লোকের বসবাস, মানুষের পরিবহন চাহিদা মেটাতে কাজের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অনেকেই পেটের দায়ে ও পরিবারের চাহিদা মেটাতে এখানকার বিভিন্ন সড়কগুলোতে রিকশা চালাচ্ছে। চাঁদা না দিতে চাইলে গরীব অসহায় এসব রিকশা চালকদের উপর চলে অত্যাচার-নির্যাতন।  এই লেডি চাঁদাবাজ কতিপয় নারীদের সাথে নিয়ে চাঁদাবাজিতে এনেছেন নতুনত্ব। তার নারী সংগীরা চাঁদার টাকা তুলেন , কেউ দিতে না চাইলে কিংবা কেউ বাধা দিলে তাদের উপর হামলে পড়েন তারা, করেন অকথ্য ভাষায় অশ্লিল গালিগালাজ। অভিযোগ রয়েছে কারো কারো উপর হাত তোলার। গত ২৩ ডিসেম্বর অপ্রাপ্তবয়স্ক ছোট ছোট বাচ্চা দের দিয়ে অটোরিকশা চালানোর সময় পি আই মজিব অটোরিকশা আটক করে, কিছুক্ষণ পর লেডি চাঁদাবাজ রাশি আক্তার এসে পি আই মজিব কে রাস্তায় গালি গালাজ সহ বিভিন্ন অপদস্থ করেন।এক পর্যায় তার গায়ে হাত তোলার পায়তারা চালান রাশি আক্তার। উক্ত বিষয়ে পি আই মজিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনা সাতত্য আছে বলে আমাদের প্রতিবেদকে জানান।
অভিযোগের বিপরিতে সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। রাশি আক্তার ও তার নারীটিম ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে সবার মাঝে। তাদের ভয়ে চালকরাও চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। দিতে না চাইলে তাকে বকাঝকা ও মারধর করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,  প্রতিটি ইজিবাইক থেকে প্রতিদিন ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় হয়।
দুইশতাধিক অটো রিকশা থেকে প্রতিদিন চাঁদা উঠে ২০ হাজার টাকা   এ হিসেবে মাসে রাশি আক্তারের চাদাবাজির পরিমান প্রায় ৬ লক্ষ টাকা বলে জানা যায়। রিকশা চালক ও যাত্রী উভয়েই এই চাদাবাজি বন্ধের জোড় দাবী জানিয়েছেন।






Related News

Comments are Closed