Main Menu

রুপগঞ্জ থানার এএসআই আনিছের বিরুদ্ধে পুলিশ হেড কোয়াটারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ

রুপগঞ্জ থানার সহকারি উপ পরিদর্শক (এএসআই) আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধের পুলিশ হেড কোয়ার্টার, ডিআইজি (ঢাকা রেঞ্জ) ও নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ২’ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সানারপাড় এলাকার হাবিব নামে এক ব্যক্তির মেয়ে সান্তনা আক্তার এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রুপগঞ্জ থানার এএসআই আনিছুর রহমান, গত ২৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় হাবিবকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করার পর হাবিব তার স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে জানায় তাকে রুপগঞ্জ থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ খবর পেয়ে হাবিবের স্ত্রী ও ছেলে রাজন রুপগঞ্জ থানার গাউছিয়া এলাকায় গিয়ে দেখে হাবিব একটি হাইচ গাড়ীতে পুলিশের সাথে বসা। এসময় সিভিল পোশাকে এএসআই আনিছুর রহমান হাবিবের পাশে বসা ছিলো। এরপর এএসআই আনিছুর রহমান তাদের গাড়ীতে তুলে এবং তাদের নিয়ে ওই হাইছ গাড়ী দিয়ে ঘুরতে থাকতে। রাত আনুমানিক ৩’টার দিবে হাবিবে তার মেয়ে সান্তনা আক্তারকে ফোন করে বলে তোর মা ও ভাই রাজন আমাকে দেখার জন্য আসলে তোর মাকে ও রাজনকে গ্রেফতার করে আমার সঙ্গে পুলিশের গাড়ীতে বসিয়ে রেখেছে। আমাদের ছেড়ে দিতে ৫’লাখ টাকা দাবি করে। পরবর্তিতে ২’লাখ টাকায় কথা বার্তা হয়। তাড়াতাড়ি টাকা জোগাড় করে আমাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যা। পুলিশ আমাকে মারধর করছে। এ সময় সান্তনা জানতে চায় কেন পুলিশ তাদের ধরেছে। এ উত্তরে হাবিব জানায় সন্দেহ করে তাকে ধরেছে। পরে তিনি (সান্তনা) টাকা জোগার করে কোথায় আসবে জানতে চাইলে তাকে তারাবো বিশ্ব রোড়ে আসতে বলে। সেখানে তিনি গেলে তাকে আবার বলে সুলতানা কামাল ব্রিজের পূর্ব পাশে নিউ আল জান্নাত খাবার হোটেলে আসতে বলে। এ সময় সান্তনা তার মামা ও মামার এক বন্ধুকে নিয়ে সেই খাবার হোটেলে যায়। সেখানে তিনি এএসআই আনিছুর রহমানের কাছে জানান ২ লাখ টাকা জোগার করিতে পারি নাই। আমার কাছে ১’লাখ টাকা আছে যদি সম্ভব হয় তাহলে আমার বাবা ও মাকে ছেড়ে দেন। আমার বাবাকে কি কারনে ধরেছেন তা আমি জানি না। আমার মা ও ছোট ভাই আসছে দেখতে তাদেরকে আটক করলেন কেন তাদের কি অপরাধ। আবার সকালে আমার ছোট ভাই রাজনকে ছেড়ে দিলেন অথছ মাকে ছাড়লেন না কেন। এ সব কথা বলার এক পর্যায় সান্তনার মা ও বাবাকে ছেড়ে দিবে বলে ১’লাখ টাকায় রাজি হয়ে উক্ত হোটেলে বসে এবং ওই ১’লাখ টাকা নেয়। এবং গ্রেফতারকৃতদের ছেড়ে দিবে বলে সাথে থাকা তাদের ৩’জানের কাছ থেকে ( মামা ও তার বন্ধু) সাদা কাগজে জিম্মানামা স্বাক্ষর নেয়।
এরপর হোটেল থেকে বেড়িয়ে হাইচ গাড়ীতে উঠে দ্রæত হাবিব ও তার স্ত্রীকে থানায় চলে যায়। এবং ইয়াবা দিয়ে মামলা দেয়। পরে সান্তনা ওই এএসআইকে বলেন, আমার বাবা ও মাকে মামলা দিলেন তাহলে আমার টাকা ফেরত দেন। এর উত্তরে এএসআই আনিছুর রহমান বলে ইয়াবা কিনতে টাকা লাগে। টাকা ফেরত দেয়া যাবেনা।######






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.