Main Menu

ঝিনাইদহে নিম্নমানের ইট বালি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক নির্মাণ, কর্তৃপক্ষ বলছে কাজ শুরুই হয়নি অনিয়ম হয় কিভাবে?

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃঝিনাইদহে খানা খন্দে ভরা ১১কিলোমিটার রাস্তা মেরামতের কাজে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সিডিউলে যে পরিমান মালামাল সরবরাহের কথা রয়েছে সেই মোতাবেক ব্যবহার করা হচ্ছে না। বালির পরিবর্তে বেলে মাটি, পাথরের পরিবর্তে নিম্মমানের পুরাতন ইট ভেঙ্গে খোয়া হিসাবে রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের প্রতি কিলোমিটার মেরামত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি টাকা। কিন্তু যে নিম্মমানের মালামাল সরবরাহ করা হচ্ছে তা অল্পদিনেই পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে এমন ধারনা সচেতন এলাকাবাসির। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একমাত্র সড়ক যোগাযোগ ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া-যশোর মহাসড়ক। যশোর বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে ঝিনাইদহের উপর দিয়ে উত্তরবঙ্গ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের যানবাহন চলাচল করে এসড়কের উপর দিয়ে। কিন্তু প্রায় ২ বছর ধরে এই সড়কটির বিটুমিন আর পাথর উঠে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এ কারনে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ কিছু অংশ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড থেকে আলহেরা স্কুল ও বাইপাস থেকে বাস টার্মিনাল ২টি সড়কের ১১কিলোমিটারের রাস্তার মেরামতের জন্য ২২ কোটি টাকার টেন্ডার আহবান করে। কাজটি পান মেসার্স আবেদ মনসুর কনষ্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। গত ১ সপ্তাহ ধরে শুরু হওয়া এই কাজে বালির পরিবর্তে বেলে মাটি, পাথরের পরিবর্তে নিম্মমানের পুরাতন ইট ভেঙ্গে রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিকে কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চললেও সড়ক বিভাগের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সালাউদ্দিনের দাবি অফিসের নির্দেশ মোতাবেক করা হচ্ছে এবং কাজের মান ভালো। অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাগন কমিশনের বিনিময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিম্মমানের কাজ করার সুযোগ করিয়ে দিচ্ছে। এ কারনে সড়কে পুরোদমে কাজ করলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কেউ উপস্থিত থাকছে না। এমনকি কাজের ব্যাপারে কেউ কোন তথ্য দিচ্ছে না। নিম্মমানের রাস্তা মেরামতের ব্যাপারে পাগলাকানাই এলাকার বাসিন্দা ও জেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম জানান সড়কের যে কাজ হচ্ছে তা অত্যন্ত নিম্মমানের। সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সুশীল সমাজের ইমরান হোসেন জানান, এত নিম্নমানের কাজ জীবনে কখনো দেখেনি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিরুদ্ধে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সমাজ সেবক শাহানুর আলম জানান, সরকার যে বরাদ্দ দিয়েছে তা ঠিকমত ব্যবহার হলে ২৫ বছরের রাস্তার কিছু হবে না। কিন্তু সওজের দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে উচ্চহাবে কমিশন নিয়ে নিশ্চুপ আছে। তিনি সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অফিসে গিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, কাজ শুরুই হয়নি। অনিয়ম হয় কিভাবে?






Related News

Comments are Closed