Main Menu

প্রশাসনের নাম বিক্রি করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টিকারী হাসিনা বেগম মৌসুমি বেপরোয়া


ডিসি আমার পরিবারের লোক, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের উদ্ধতম কর্মকর্তা আমার বন্ধু আর সাংবাদিক তো আমার ডাল, ভাত, সাংবাদিককে মুঠো ফোনে হুমকি, অশ্রিল বাক্য, আবার এলাকায় বুক ফুলিয়ে ধাপিয়ে বেড়ানো। এমন কিছু অভিযোগ উঠে এসেছে দক্ষিণখান থানার আইনুজবাগ এলাকার মাহাতাব আলম এর স্ত্রী হাসিনা বেগম মৌসুমির বিরুদ্ধে। এত ক্ষমতার উৎসাহ কোথায়। হাসিনা বেগম মৌসুমি সরদার বাড়ী লানার্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে চাকুরি করেন। স্বমী মাহাতাব আলম দীর্ঘদিন জাবত বেকার ও ব্রোকার হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করেন। তরুন যুবক দের চাকুরির প্রভলন দেখিয়ে কিংবা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে হাতিয়ে নিচ্ছে কারী কারী টাকা। এলাকায় এমন কিছু বাস্থব তথ্যও মেলে। দক্ষিণখান আইনুছবাগ এলকার বুলবুল এর স্ত্রী অথাৎ এলাকায় প্লাবনের মা নামে পরিচিত, মহিলার কাছ থেকে তার মেয়ে কে রাজউক স্কুলের ভর্তি করার কথা বলে ৬০,০০০/- (ষাট হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয় । এলাকার মুরুব্বিরা ঘটনাটি জানার পর মাহাতাব আলম এবং তার স্ত্রী কে টাকা দিয়ে দিতে বলে। অএ এলাকার মাহাবুব এবং আলী, মাহাতাব আলম কে বার বার টাকা দিতে বল্লেও মাহাতাব আলম ও তার স্ত্রীরর যোগসাজে গাঁ ডাকা দিয়ে চোলতে থাকে। অএ এলাকার চায়ের দোকান দার ওলি নামে একজন ব্যাক্তির কাছে ধার হিসেবে ৩০,০০০/- (ত্রিশ হাজার) টাকা নেয় এবং ওলি টাকা ফেরত চাইলে মাহাতাব আলম বিভিন্ন রকম টালবাহানা করতে দেখা য়ায়। এলাকার আনোয়ার মাতুব্বর বার বার ডেকে মাহাতাব আলমকে ওলির টাকা পরিশোধ করতে বল্লেও মাহাতাব আলম এই বিষয় টি আমলে নেয় না। পরবর্তীতে ১ বৎসর পরে কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করেন মাহাতাব আলম। ওলি আমাদের রিপোটারকে জানান ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা এখন মাহাতাব আলমের কাছে পাই। সিটি কর্পোরেশনের চাকুরির কথা বলে মানিক হোসেন নামে এক ব্যাক্তির কাছ থেকে ১৫,০০০/- (পনের হাজার) টাকা নেয় মাহাতাব আলম। ৬ মাস পার হওয়ার পরও মানিকে চাকুরি দিতে ব্যর্থ হন মাহাতাব আলম। পাওনা টাকা চাইতেই মাহাতাব আলম জানান, মানিক বার বার টাকা চাইলে আমার স্ত্রী এবং আমার মেয়ে কে দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তোমার বিরুদ্দে মামলা দায়ের করবো। এলাকার লোক জনের কাছে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে গেলে মাহাতাব চাপে পরে ১৫,০০০/- (পনের হাজার) টাকার একটি চেক দিয়ে একমাস সময় নেয় । একমাস পার হয়ে গেলে উক্ত ঘটনাটি গনমাধ্যম কর্মী মোঃ রাসেল হাওলাদার/হাসান কাছে মানিক জানলে রাসেল তখন দক্ষিণখান থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করতে বলেন। পবর্তীতে অফিসার ইনর্চাজ শিকদার মোঃ শামীম কে বিষয় টি অবগত করেন। দ্রæত ক্রমে ওসি শিকদার শামীম মাহাতাব আলম এর স্ত্রী হাসিনা বেগম মৌসুমিকে ডেকে এনে এস আই প্রদীব দুই পক্ষকে সমজোতা করে দেয় এবং মানিকের পাওনা টাকা ফেরত দিয়ে দেয়। ঘটনার ৪ মাস পরে হাসিনা বেগম মৌসুমি গনমাধ্যম কর্মী মোঃ রাসেল কে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে এবং তার পরিবার সম্পর্কে অশ্রিল ভাষা/ বাক্য চয়ন করে, পরিশেষে হুমকি-দামকি দিতে থাকে।স্থানী পর্যায় গনমাধ্যম কর্মী রাসেল/হাসান তৎক্ষনাক দক্ষিণখান থানার অফিসার ইনর্চাজ শিকদার শামীমকে বিষয় টি বল্লে তিনি উত্তরা জোনের উপপুলিশ কমিশনারকে জানাতে বলেন। উত্তরা জোনের উপপুলিশ কমিশনার নাবিদ কামাল শৈবাল কে বিষয় টি জানালে তিনি সাফ জানিয়ে দেন হাসিনা বেগম মৌসুমি নামে কাউকে আমি চিনিনা। আপনার আরো কিছু জানার থাকলে আপনি অফিসে আইসেন। পবর্তীতে ০১/১২/২০১৯ইং তারিখে গনমাধ্যম কর্মী রাসেল হওলাদার দক্ষিণখান থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন যহার নং-৪০।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.