Main Menu

প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করলেও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিতর্কিত এএসআই মোমেন বহাল তবিয়তে

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এস আই কামাল হোসেন বদলী হলেও নাটের গুরু বিতর্কিত এএসআই মোমেন আলম বহাল তবিয়তে। এএসআই মোমেনের বিভিন্ন অপকর্মের কারনে বাববার সংবাদ প্রকাশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করলেও বীরর্দপে দাবরিয়ে বেড়াচ্ছে থানা এলাকা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার কারনে অভিযোগকারি ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এএসআই মোমেন আলম সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় গত ৫’আগষ্ট ১৯ইং তারিখে যোগদানের পর থেকে একেরে পর এক অপকর্ম করে আসছে। সে নিজেকে কখনো র‌্যাব আবার কখনো ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাদা পোশাকে সিএনজি যোগে থানা এলাকাসহ বিভিন্ন থানায় ঘুরে ঘুরে অপকর্ম করছে। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি খুন্ন হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ীসহ এলাকার নিরিহ লোকদের আটক করে সিএনজি যোগে নির্জন স্থানে নিয়ে তাদের কে মারধর করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তার এ ধরনের কাজ দেখে খোদ থানা পুলিশ ও এলাকাবাসীর তাজ্জব বনে যাচ্ছে। তার ভয়ে অভিযোগ করে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে অভিযোগ কারি বার্মাশিল এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইলিয়াছকে। এএসআই মোমেন আলমকে এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ কখনো পুলিশের পোশাকে ডিউটি করতে দেখেছে কিনা কেহ বলতে পারেনি। থানায় যোগদানের পরে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা এলাকা থেকে প্রথমে র‌্যাব ও পরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মিঠু নামে এক ব্যাক্তিকে তুলে এনে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৭’লাখ টাকা দাবী করে ২’লাখ ৭০’হাজার টাকা নগদ আদায় করে মাদক মামলায় আদালতে চালান দেয়। গত ২০’অক্টোবর ১৯’ইং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বার্মাশিল এলাকার ইলিয়াছ নামের এক ব্যাক্তির কাছ থেকে দু দফায় মোট ১’লাখ ৬২’হাজার টাকা নেওয়ায় আইজিপি, ডিআইজি(ঢাকারেঞ্জ) ও পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের কারনে অভিযোগকারি ইলিয়াছ এএসআই মোমেন আলমের ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এএসআই মোমেন আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় অভিযোগকারী ইলিয়াছের বাসায় গিয়ে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। সচেতন মহল মনে করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি(সার্বিকের) শেল্টারে থাকায় এ অপকর্ম গুলো বীরর্দপে করে যাচ্ছে এএসআই মোমেন আলম। গোপন সূত্রে জানা যায় এএসআই মোমেন আলম সাদা পোশাকেই মানুষকে হয়রানি করে থাকেন বিশেষ এক ক্ষমতার জোরে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের ঊদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী বলে মনে করেন সচেতন এলাকাবাসী। ###






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.