Main Menu

নাতনী ধর্ষণ মামলায় নানা গ্রেফতার

শামীম আখতার, ব্যুরো প্রধান (খুলনা): কেশবপুরে এক লম্পট নানা প্রেমের ফাঁদে ফেলে নাতী নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করার ফলে সে অন্ত:সত্ত¡া হয়ে পড়ে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওই ছাত্রীকে অবৈধ গর্ভপাত ঘটিয়ে নবজাতককে মাটি চাপা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় মেয়ের মামা মিন্টু রহমান বাদি হয়ে কেশবপুর থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে এলাকাবাসী নবজাতকের লাশ মাটি চাপা দেয়া জায়গা পাহারা দিয়ে রেখেছিল। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার সারুটিয়া গ্রামে। সেই থেকে এলাকা ছেড়ে ধর্ষক বিল্লাল হোসেন (৪০) পলাতক ছিল। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেশবপুর থানা পুলিশ যশোর সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে মণিহার সিনেমা হল এলাকা থেকে ধর্ষক বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে।
থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার সারুটিয়া গ্রামের নানার বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করত ওই ছাত্রী। সে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে আসছে প্রতিবেশী নানা ৩ সন্তানের জনক লম্পট বিল্লাল হোসেন। ঘটনায় ওই ছাত্রী অন্ত:সত্ত¡া হয়ে পড়ে। গত ২৩ জুন বেল্লাল হোসেন ওই ছাত্রীর পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে ওষুধ খাওয়ে দেয়। এতে তার অবৈধ গর্ভাপাত ঘটে। ২৫ জুন সকালে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বিল্লাল হোসেন ওই নবজাতককে বাগানের ভেতর মাটি চাপা দেয়াকালে গ্রামবাসি দেখে ফেললে ঘটনাটি ফাঁস হয়ে পড়ে। ওই ছাত্রীর বাবার বাড়ি উপজেলার সন্ন্যাসগাছা গ্রামে।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, ধর্ষণ মামলায় বিজ্ঞ আদালতের ওয়ারেন্ট ভূক্ত বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।






Related News

Comments are Closed