Main Menu

হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে- সম্রাট

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. আফজালুর রহমান বলেছেন, সম্রাটের চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে তিন সদস্যের একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সামনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

ডা. আফজালুর রহমান বলেন, তার চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে তিন সদস্যের একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিমের পর্যবেক্ষণে স¤্রাটের চিকিৎসা চলছে। বেশকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দেয়া হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর বর্তমান অবস্থা বোঝা যাবে।

বুকে ব্যথা অনুভব করলে সকাল সাড়ে ৭টায় সম্রাটকে কারাগার থেকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। এরপর ঢামেক চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। সেখানে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রাখা হয়েছে।

এদিকে সোমবার রাতে সম্রাটের বিরুদ্বে অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। এই রিমান্ড শুনানি বুধবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে অনুষ্ঠিত হবে।

রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো-পূর্বক ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম ইয়াসমিন আরা আসামি সম্রাটের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও রিমান্ড শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন।

এছাড়াও রমনা থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আদালত তার উপস্থিতিতে তার গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও রিমান্ড শুনানির জন্য একই দিন ধার্য করেছেন।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে র‌্যাব-১ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় মামলা দুটি করে। দুই মামলার বাদী র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক। এর মধ্যে মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়েছে।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যেই তার দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এরপর শনিবার রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও রোববার সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে। তার সঙ্গে আরমানকেও আটক করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব।

এদিন দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল সম্রাটকে নিয়ে কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে তারই কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যা সোয়া ৬টা পর্যন্ত অভিযান চলে। সম্রাটের কাকরাইলের কার্যালয় থেকে একটি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া জব্দ করে তারা।

পরে ছয় মাসের জেল দিয়ে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রোববার গ্রেফতারের পর ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও আরমানকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.