Main Menu

ফলোআপ.. মতলব দক্ষিণে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা- টাকার বিনিময়ে আপোষ হওয়ার চেষ্টা

মতলব প্রতিনিধি: সহপাঠীদের ইভটিজিং এর শিকার হয়ে ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনাটি টাকার বিনিময়ে আপোষ হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। আত্মহত্যা প্ররোচনায় আটক দুই কিশোর আকাশ ও সাব্বিরের পরিবারের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।
সরেজমিনে জানা যায়, ৮ম শ্রেণির ছাত্রী রোকসানা আক্তার দৃষ্টি (১৪) কে আত্মহত্যার প্ররোচনায় তার মা রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে মামলা করে। মামলার পুলিশ ছাত্রীর দুই সহপাঠীকে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাদের কিশোর সংশোধনাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। সেই থেকে একটি প্রভাবশালী মহল ওই দুই কিশোরকে রক্ষা করতে উঠে পড়ে লাগে। দুই ছেলেকে মামলার হাত থেকে রক্ষা করতে তাদের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ভাবে ওই স্কুল ছাত্রীর মা-বাবাকে চাপ প্রয়োগ করে এবং মামলা আপোষ করার জন্য বলে।
নামনাপ্রকাশ করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, রোকসানা আত্মহত্যার ঘটনা ধাপাচাপা দিতে তার মা-বাবাকে চার লক্ষ টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু এতে আকাশ ও সাব্বির আটক হয়ে কিশোর সংশোধনাগারে যাওয়ায়। তাদে ছাড়িয়ে আনতে ও অন্যান্য খরচ হিসেব করে বর্তমানে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য রোকসানা আক্তার দৃষ্টির পরিবারকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাকি টাকা মধ্যস্থতাকারী ও মামলা তুলে নেওয়ার পিছনে ব্যয় করা হবে।
মামলা তুলে নিতে টাকা দেওয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে রোকসানার বাবা আব্দুল রশিদ বেপারী জানান,‘ ভাই এলাকায় থাকতে হবে, মেয়েকে তো আর ফিরে পাবো না। তাই তাদের কথা মেনে নিলাম।’
আপোষ করার প্রস্তাবের বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার ওসি স্বপন কুমার আইচ বলেন, তাদের আপোষ করার প্রস্তাবের বিষয়ে আমার জানা নেই। আমরা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন পাঠাবো।
উল্লেখ্য, সহপাঠীদের ইভটিজিং এর শিকার হয়ে রোকসানা আক্তার দৃষ্টি (১৪) নামের এক ৮ম শ্রেণির ছাত্রী গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে তার নিজ বসতঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় পুলিশ সন্ধ্যায় আকাশ ও সাব্বির নামের দুই কিশোরকে আটক করে। পরে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মতলব দক্ষিণ থানায় একটি মামলা করে।






Related News

Comments are Closed