Main Menu

মেঘনা নদীতে জাহাজ থেকে অবৈধভাবে তেল নামানোর হোতা কাজী মিজানের ভাড়াটে সন্ত্রাস কে এই রাজন??

স্টাফ রিপোর্টার :মতলব উত্তর উপজেলা আ.লীগের সদস্য ও মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে রাতের অন্ধকারে জাহাজ থেকে তেল নামানোর হোতা কাজী মিজানুর রহমানের ভাড়াটে সন্ত্রাস উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য আরিফুল ইসলাম রাজন। যা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেইসবুক’সহ মতলব উত্তরের সর্বত্র আলোচনার মূল বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। উল্লেখ্য ১১ সেপ্টেম্বর রাতে মোহনপুরের স্থানীয় জনতা চেরাই তেলসহ ১জনকে আটক করে। মোহনপুর নৌ-পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। আটককালে বড় ২ড্রাম তেল ও ছোট ১৪ ড্রাম তেল উদ্ধার করে। কিন্তু রাজন তন্মধ্য থেকে ৬ড্রাম তেল জোড়পূর্বক নিয়ে যায়। এলাকাবাসীরা জানান, অবৈধ তেল ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে কাজী মিজান।কাজী মিজান মেঘনা নদীতে অবৈধ যত ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে বনিবানা না হওয়ায় ভাড়াটে সন্ত্রাস রাজনের মাধ্যমে তেল ব্যবসায়ীকে ধরিয়ে দেয়, কমিশন হিসেবে ৬ড্রাম তেল নিয়ে যায়। লোকজন আক্ষেপ করে বলে আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের ছেলের বেকার থাকে কিন্তু অন্য রাজণীতি মতাদর্শের লোক হয়েও ক্ষমতা দেখানোর সাহস কোথাও থেকে পায়। উল্লেখ্য কাজী মিজান মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন থেকে বালু কাটার মহোৎসবে মেতে উঠেছে। বালু মহাল নিয়ন্ত্রনে রাখতে বিভিন্ন রাজনীতি দল থেকে চিহ্নিত সন্ত্রাস এনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। এলাকাবাসী কাজী মিজানের রাহুর গ্রাস থেকে মুক্তি চায়।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়া দলে বিএনপি জামাতের লোকজন যোগদান নিষিদ্ধ থাকলেও কাজী মিজান তার অবৈধ ব্যবসার সাম্রাজ্য দখলে রাখতে বিএনপি থেকে ও বিভিন্ন কিলার সন্ত্রাস কে আওয়ামী লীগে যোগদান করাচ্ছে বলে ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিযোগ। বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, কাজী মিজান তার অবৈধ ব্যবসার সাম্রাজ্য দখলে রাখতে যখন যিনি ক্ষমতায় আসেন তার শিবিরে ঢুকে অবৈধ ব্যবসা দখলে রাখতে সিদ্ধহস্থ।






Related News

Comments are Closed