Main Menu

মতলবের বালু মহল এখনও মায়া গুরুপের হাতে – ত্যাগীরা কোনঠাসা

স্টাফ রিপোর্টার :যানাযায় মতলবে মায়া চেীধুরী ক্ষমতায় থাকা কালিন সময় বালু মহল জারা লুটপাট করে খেয়েছে বর্তমান এমপির আমলেও তারাই মতলবের বালু মহল লুটেপুলে খাচ্ছে ত্যাগীরা কোনঠাসা ।মতলবের বালু মহল এখনও মায়া গুরুপের হাতে মায়া চেীধুরী ক্ষমতায় থাকা কালিন সময় জারা নির্যাতিত ছিল তারাই এখন কোনঠাসা, চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় রাজাকার পুত্র নব্য আ’লীগ নেতা কাজী মিজানুর রহমান ও তাহার ভাইদের দাপটে ত্যাগী আওয়ামী নেতাকর্মীরা কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। দল ক্ষমতায় থাকলেও ক্ষমতার স্বাদ পায়নি দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। লাভজনক সকল অবৈধ ব্যবসা তাদের ভাইদের দখলে নিয়েছেন মেঘনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, জাহাজ হতে চোরাই তৈল ক্রয় ও বিক্রয়’সহ থানায় তদবীর ইত্যাদি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ত্যাগী কর্মীরা বলছেন, অবৈধ ব্যবসায়ীরা এখন আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে রীতিমত রাজনীতিকে ব্যবসা বানিয়ে ফেলেছে। আক্ষেপ করে বলেন, ১৯৭১ সালে নব্য আ’লীগ নেতা কাজী মিজানের পিতা কাজী আবুল হোসেনের নেতৃত্বে মতলব উত্তরে স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের উপর হামলা হয়েছে। ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার এক ছেলে কাজী হাবিব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আবস্থায় ছাত্রদলের প্রভাবশালী নেতা ছিল, ছোট ভাই মতিন সদ্য বিলুপ্ত মতলব উত্তর যুবদলের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তারাই এখন আ’লীগের রাজনীতির ধারক ও বাহক। মুক্তিযুদ্ধের সময় কাজী আবুল হোসেনের কারণে অনেকে বাড়ি-ঘর হারিয়েছে। আর এখন যদি তার ছেলে আ’লীগ নেতা হয় তাহলে আমাদের বেঁচে থাকাই দায় হবে। আওয়ামী লীগ নিয়ে মতলবে ষড়যন্ত্র চলছে। যেভাবে রাজাকার পরিবারের সদস্য ও তাদের দোসররা আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করা শুরু করেছে, আগামি ২৫ বছর পর এখানে হয়তো সব কিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। নব্যরা ভাড়া করা লোক দিয়ে বিশাল শো-ডাউনকেই ব্যবসায়ী বিনিয়োগ করছেন। যা পরবর্তীতে মুনাফাসহ আদায় করছেন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে। আর এতে করে দলের ইমেজ ক্ষুন্ন হচ্ছে। কোনো রাজাকার পুত্রের দৌড়ঝাঁপ তাদের ব্যথিত করে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধারা। ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা জানতাম আ’লীগ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল, সব সময় স্বাধীনতা বিরোধীদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান, কিন্তু মতলব উত্তরে তার সম্পর্ন বিপরীত। রাজাকার পুত্র নব্য আ’লীগ নেতা এখন খুবই বেপরোয়া । আমরা দলীয় প্রধান ও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবগত করবো। এ ব্যাপরে আ’লীগ নেতা কাজী মিজানকে তার মোবাইল নাম্বারে একাধীকবার কল করলে উনি ফোন রিসিভ করেননি। বিধায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।উল্লেখ্য কাজী মিজান এর আপন ফুফা সালাম মুক্তার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুসলিম লীগের নেতৃত্ব দিয়ে এলাকায় লুটতরাজ ও মুক্তিকামী মানুষের উপর নির্যাতন চালাতো।






Related News

Comments are Closed