Main Menu

চাকুরিতে প্রবেশসীমা ৩৫ দাবি বাস্তুবায়নই লক্ষ লক্ষ বেকারের স্বপ্নপূরণ।

নগর প্রতিনিধি (মুন্সীগঞ্জ): দেশের প্রতিটি নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণ ও
কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দেশের সংবিধানেই কতিপয় মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদঃ ২৯ (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-
লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে। ২৯। (২)কেবল
ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী- পুরুষভেদ বা
জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক
প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-
লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা
সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য
প্রদর্শন করা যাইবে না। সংবিধানে
আইনের দৃষ্টিতে সমতা ২৭। সকল নাগরিক
আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের
সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী। ১৫৷
রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে
পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের
মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন
এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও
সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন,
যাহাতে নাগরিকদের জন্য
নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত
করা যায়:
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ
জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের
ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও
পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত
মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের
নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও
অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার,
অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা
পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য,
মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত
কিংবা অনুরূপ অন্যান্য
পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে
অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী
সাহায্যলাভের অধিকার৷ মৌলিক এসব
চাহিদা পূরণে চাকুরিতে
প্রবেশসীমা ৩৫ দাবি বাস্তুবায়ন ও
মাষ্টার্স ডিগ্রীধারীদের (বেকার)-
বেকারভাতা চালু করলে দেশকে
এগিয়ে নিতে মেধাকে কাজে
লাগাতে পারবে লক্ষ লক্ষ হতাশাগ্রস্থ
বেকার তরুণ।
চাকরিতে প্রবেশের বয়স এখন বৃদ্ধি করা
প্রয়োজন কারণঃ ১)বাংলাদেশ একটি
জনবহুল দেশ হলেও এর এখন শিক্ষার হার
বেড়েছে,জাতীয় আয় বেড়ে
১৭৫২ডলারে উন্নীত হয়েছে এবং গড় আয়ু
বেড়ে ৭১.৯বছর হয়েছে,সেই হিসেবে
চাকরিতে প্রবেশের বয়স হওয়ার কথা ৪২
বছরের ও বেশী। ২)উন্নত বিশ্বের সাথে
তাল মেলাতে। মেধা ও যোগ্যতাকে
বয়সের দ্বারা নির্নয় করা অযৌক্তিক।
যা যুব সমাজকে হতাশায় ঠেলে
দিচ্ছে।দেশ থেকে মেধা পাচার রোধ
করতে,৩০+হলে মেধা শক্তিকে
অবমুল্যায়ন করার ফলে মেধা মননে
উদাসীন হয়,ফলে পরবর্তী প্রজন্মের উপড়
সেই প্রভাব পড়ে। ৩)চাকরি বানিজ্য
রোধ করতে হবে। হতাশা যুক্ত জীবনে
কোন
উদ্যোম থাকেনা,তাই উদ্যোক্তা সৃষ্টি
হচ্ছেনা।আমাদের দেশের বেশীরভাগ
উদ্যোক্তা ও শিল্প মালিক স্বল্প
শিক্ষিত।কারন উচ্চশিক্ষা গ্রহন করতে
সময় লাগে ২৬-২৮বছর ঠিক ঐ সময় কোন
ব্যক্তি লেখাপড়া না করে ব্যবসায়
নিয়োজিত হয়।আর উচ্চ শিক্ষিতরা তখন
চাকরির বাজারে প্রবেশ করে,কিন্তু
তখন তাদের অভিজ্ঞতাহীন নিয়োগ
দেয় না।যার ফলে বিপাকে পড়তে হয়
শিক্ষিতদের।
৪)অবসরের বয়স বৃদ্ধিতে ৫বছর পিছিয়ে
পড়েছি আমরা।কারন এদেশে নিয়োগ
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে শুরু করে সম্পন্ন
করতে ২-৪বছর সময় লাগে।যা সবার
যোগ্যতা থাকা সত্বেও চাকরি পায়
না অনেকে।
৫)আমাদের দেশের রাজনৈতিক
পরিস্থিতির উপড় শিক্ষায় বাঁধা এবং
চাকরিতে বাঁধা থাকে।যা অনেকের
মেধা প্রয়োগ করার সুযোগ পায়না।
৬)নারী শিক্ষার্থীদের বেশী সমস্যা
হয় কারন অনেক ছাত্রীর ই ২০/২১এর মধ্যে
বিয়ে হয়ে যায় ফলে অনেকের ঘরসংসার
বাচ্চা গর্ভধারন ও লালন পালনে অনেক
সময় ইয়ার গ্যাপ হয়,যার ফলে তারা
২৮/২৯এর মধ্যে শিক্ষাজীবন শেষ করতে
পারেনা।মেধা থাকা সত্বেও
আবেদনের সুযোগ পায়না। ৭)যারা
ছাত্র রাজনীতি করে তাদের বিষয়টি
এমন যে,রাজনীতিতে সবাই সফল
হয়না,কিন্তু বয়স ৩০পার হয়,তার আর
চাকরিতে ফিরে আসার সুযোগ
থাকেনা।ফলে ব্যবসা ঠিকাদারি
করতে গিয়ে সন্ত্রাসী কাজে লিপ্ত
হতে হয়।যদি চাকরিতে ফিরে আসার
সুযোগ থাকতো তবে সে হয়তো ১বছর
ভালভাবে পড়াশোনা করে চাকরি
পেতে পারে।
তাই চাকুরিতে প্রবেশসীমা ৩৫ দাবি
বাস্তবায়ন ও শিক্ষিত বেকারদের
বেকারভাতা চালু করার জন্য সরকারের
কাছে লক্ষ লক্ষ বেকারদের মানবিক
অনুরোধ।






Related News

Comments are Closed