Main Menu

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে

বুধবার (২৪ জুলাই) জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা, কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘মেঘনা নদীতে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে ৭ যুবক আটক, অর্থদন্ড’ শিরোনামে সংবাদ ছাপানো হয়। এ সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়। সংবাদে উল্লেখ করা হয়, মেঘনা নদীতে বালুর ট্রলারে চাঁদা উত্তোলন করার কথা বলা হয় এবং চাঁদাবাজদের নেতা কাজী মতিনকে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করে ভ্রাম্যমান আদালত।
প্রকৃতপক্ষে ঘটনাটি এ ধরনের নয়, মেঘনা নদীতে বৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজ। এ প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজারের দায়িত্ব পালন করছে কাজী মতিন। আর যে ৭ জনকে আটক করা হয়েছে তারা বৃষ্টি এন্টাপ্রাইজের নিয়োগকৃত বালুবাহী ট্রলারে টোকেন চেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
কোস্টগার্ড মেঘনা নদীতে টহলরত অবস্থায টোকেন চেকারদের আটক করে। এ সময় আটককৃতদের কাছে বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের কাগজপত্র ছিল না। তাই সুপারভাইজার কাজী মতিন প্রকৃত বৈধ কাগজ প্রদর্শণ করে আটককৃতদের ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করেন। কাজী মতিন বলেন, আটককৃতরা চাঁদাবাজ নয়, তারা বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের কর্মচারী।
একটি কুচক্রিমহল মিথ্যা তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্যমূলক আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও মানসম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য এ ধরণের সংবাদ ছাপাতে সহযোগিতা করে।

–কাজী মতিন
সুপারভাইজার
বৃষ্টি এন্টারপ্রাইজ






Related News

Comments are Closed