Main Menu

গাইবান্ধায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ উপলক্ষে পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মিট দ্যা প্রেস


গাইবান্ধা প্রতিনিধি :মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মাত্র ১০৩ টাকা ব্যয়ে গাইবান্ধা জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ৯৯ জনসহ ১৪৪ জন তরুণ-তরুণী পুলিশের চাকরি পেল। গাইবান্ধা জেলায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ উপলক্ষে রোববার পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মিট দ্যা প্রেস এ পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মো. আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম এ কথা বলেন।
মিট দ্যা প্রেস এ পুলিশ সুপার উলে¬খ করেন, একাত্তুরের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধকারি বাহিনী বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি অব্যাহত রাখতেই অত্যান্ত আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রেখে শুধুমাত্র মেধা এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতার ভিত্তিতেই এবারে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও যাতে কোন আর্থিক লেনদেন বা অন্য কোন নিয়ম সম্পন্ন না হয় সেব্যাপারে গোপন তৎপরতা অব্যাহত রেখেই কনস্টেবল নিয়োগে অত্যান্ত আন্তরিকতার সাথে সুষ্ঠুভাবে যাচাই বাছাই করা হয়েছে বলে তিনি উলে¬খ করেন। তিনি আরও বলেন, পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের প্রায় এক মাস আগে থেকেই ফেসবুকে, লিফলেট বিতরণ করে এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে প্যানা টাঙিয়ে এবারে আর্থিক লেনদেনসহ সকল অনিয়ম ও সুপারিশ পরিহার করে সুষ্ঠুভাবে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের বিষয়টি সম্পন্ন করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। দুর্নীতিমুক্তভাবে আন্তরিকতার সাথে মাত্র ১০৩ টাকা ব্যয় করে এবারে পুলিশ কনস্টেবলের নিয়োগ সম্পন্ন করবে গাইবান্ধা জেলা পুলিশ। এ কথা জানাতেই তিনি নিজে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, এতিমখানা, চরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে বক্তব্য দিয়ে এব্যাপারে সংশি¬ষ্ট সকলকে সচেতন করতে চেষ্টা চালিয়েছেন বলে তিনি উলে¬খ করেন। পরে তিনি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও চিত্র সাংবাদিকদের প্রদর্শন করেন। তা থেকে জানা যায়, ১৪৪ জন নিয়োগপ্রাপ্ত কনস্টেবলের মধ্যে ৯৯ জন অতিদরিদ্র পরিবার থেকে এসেছে। এদের মধ্যে অনেকেই পিতামাতা হারা এতিম, চরাঞ্চলের অতিদরিদ্র কৃষক, নৈশ প্রহরী, দর্জি, দিনমজুর, ভূমিহীন বর্গাচাষী, শ্রমজীবি, রিক্সা-ভ্যান চালক, গৃহ পরিচারিকার কাজ করে এমন পরিবার থেকে।
মিট দ্যা প্রেস এ অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারি পুলিশ সুপার (প্রশিক্ষণ) আবু সায়েম প্রধান, সহকারি পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) মো. আনোয়ার হোসেন, ডিআইও ওয়ান আব্দুল লতিফ মিয়া পিপিএম, সদর থানা অফিসার ইনচার্জ খান মো. শাহরিয়ার। পরে কনস্টেবল পদে নবনিয়োগ প্রাপ্তদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রাথমিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। পরে নিয়োগপ্রাপ্তদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মো. আব্দুল মান্নান মিয়া।
উলে¬খ্য, ২৯ জুন পুলিশ কনস্টেবলের নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রথমে শারীরিকভাবে যোগ্য প্রার্থীরা ৩০ জুন লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এবং ৩ জুলাই লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.