Main Menu

কুমড়ার চাষে লাভবান


শামীম আখতার, ব্যুরো প্রধান খুলনা: কেশবপুরে উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের ছোট একটি গ্রামের নাম বাগদহা। ওই গ্রামের কৃষকরা মাঠে মাঁচায় মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন। আর এ কারণে প্রতি বছর ওই গ্রামে মিষ্টি কুমড়ার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রামের মাঠে মাঠে মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন হওয়া ব্যবসায়ীদের কাছে গ্রামটি মিষ্টি কুমড়ার গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
বাগদহা গ্রামে গিয়ে সরেজমিন দেখা যায়, মাঠে মাঠে মাঁচায় মিষ্টি কুমড়ার চাষ। বিশেষ করে, মাঁচায় চাষ করা কুমড়ার ক্ষেতে বাম্পার ফলন ধরায় কৃষকের মুখেও হাঁসির ঝিলিক বয়ছে। মাঁচায় মিষ্টি কুমড়ার ক্ষেত পরিচর্যা করার সময় কৃষক নূরুল ইসলাম গাজীর সঙ্গে কথা হলে জানান, তিনি গত তিন বছর ধরে এ চাষ করছেন। প্রথম বছর ১৬ শতক জমিতে চাষ করে ভাল ফলন পাওয়ায় এ চাষে আরও আগ্রহী হয়ে উঠেন। পরের বছর চাষ বৃদ্ধি করে ভাল লাভবান হন। এবার তিনি ৫৬ শতক জমিতে চাষ করে বাম্পার ফলন করেছেন। মাঁচায় শত শত মিষ্টি কুমড়া ঝুলে পাকতে শুরু করায় ওই কৃষকের মুখে হাঁসি ঝিলিক বয়ে চলেছে। ক্ষেত পরিচর্যার সময় ওই কৃষক আরও বলেন, বাম্পার ফলনের কারণে এ বছর তিনি প্রায় লক্ষাধিক টাকা লাভ হবেন। একই গ্রামে কৃষক দ্বীন মোহাম্মদ গাজী, কামরুল ইসলামসহ প্রায় দেড়শতাধিক কৃষকের ক্ষেতেও মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন ধরেছে। গ্রামের শিক্ষিত যুবক শামীম আখতার মুকুল বলেন, কৃষকরা মাঁচায় আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করে সাড়া ফেলায় গ্রামটি ইতিমধ্যে মিষ্টি কুমড়ার গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কৃষক নূরুল ইসলাম গাজী বলেন, তাদের উৎপাদিত মিষ্টি কুমড়া বিক্রির জন্য হাট বাজারে নিয়ে যাওয়া লাগেনা। ব্যবসায়ীরা ক্ষেতে এসেই কিনেনিয়ে যান। সে ক্ষেত্রেও কৃষকরা লাভবান হন। গ্রামের প্রায় দেড় শতাধিক কৃষক প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে এবার মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে সাড়া ফেলেছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, মহাদেব চন্দ্র সানা জানান, মাঁচায় আধুনিক পদ্ধতির মিষ্টি কুমড়ার চাষ খুবই পরিবেশ বান্ধব। মাছি পোকা দমনের জন্য সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে যা পরিবেশ বান্ধব। এ চাষে কীটনাশক ব্যবহার ব্যবহার না করলেও চলে। মজিদপুর ইউনিয়নের বাগদহা গ্রামের এ চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। যে কারণে প্রতিবছর ওই গ্রামটিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।






Related News

Comments are Closed