Main Menu

ঈদ যাত্রায় শান্তি পুর্ণ হবে চাঁদপুর জেলার নৌপথ : আবদুল্লাহ জামান


মোঃজাবেদ হোসেন: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চাঁদপুর নৌরুটে যাত্রীদের কোন ধরনের হয়রানী শিকার হবে না। সাধারন যাত্রীদের নিরাপদ সেবা দিতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন। চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঘাট ব্যবস্থাপনার  সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে গত ২৮ মে মঙ্গল বার সকাল ১০ জরুরী সভায় এমনটি জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ মাহমুদ জামান। সভায় যাত্রী সাধারণের যাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য লঞ্চঘাট নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা, ঘাটের ডেকে কোন মালামাল রাখতে না দেয়া ও হকার বসতে না দেয়া, ঘাটে কর্মরত কুলিদের আইডি কার্ড দেয়া ও তা গলায় ঝুলিয়ে রাখা, মালামাল লোডিং ও আনলোডিং এর সরকার নির্ধারিত চার্জের তালিকা ১ তারিখের মধ্যে দৃশ্যমান স্থানে টানানো, চালক ও স্টাফ কর্তৃক যাত্রীদের অযথা ডাকাডাকি বন্ধ করা সহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।এর মধ্যে সিএনজি ও অটোরিকশা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে পার্কিং করে থাকবে। সিএনজি ও অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কোনক্রমেই ২৫ % এর চেয়ে বেশি দাবী করতে পারবেনা( শুধু ঈদ উপলক্ষে), লঞ্চে ময়লা ফেলার জন্য প্রত্যেক ফ্লোরে পর্যাপ্ত ময়লার ঝুড়ি রাখতে হবে , লঞ্চ পরিস্কার করে ময়লা আবর্জনা নদীতে ফেলা যাবে না, ঘাটে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে, পৌরসভা একটি নির্দিষ্ট তারিখ পরপর এসব ময়লা নিয়ে যাবে, ১ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত কন্ট্রোলরুম খোলা থাকবে, কন্ট্রোলরুমে যে কোন ঘোষনা বা নির্দেশনা দেয়ার জন্য সার্বক্ষণিক মাইক থাকবে। লঞ্চের টপ ছাদে কোন অবস্থায় যাত্রী ওঠানো যাবেনা , চাঁদপুর থেকে ঢাকাগামী ঈদের পরদিন থেকে লঞ্চ গুলো যাত্রী ধারনক্ষমতা পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়া মাত্র ঘাট ছেড়ে যাবে, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষা করবেনা, ১নং গ্যাংওয়ে দিয়ে যাত্রী ঘাটে ঢুকবে এবং ২ ও ৩ নং গ্যাংওয়ে দিয়ে পল্টুন থেকে বের হবে, শহর থেকে লঞ্চঘাটে যাওয়া আসার সকল যানবাহন পুলিশ কর্তৃক ওয়ানওয়ে রোড ব্যবহার করবে,মাঝপথে কোন লঞ্চ নৌকা থেকে যাত্রী কোন অবস্থায় উঠাবেনা ,কন্ট্রোলরুমে যাত্রী সাধারণের জন্য পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা থাকবে, লঞ্চঘাটের টয়লেট টি নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হবে, কন্ট্রোলরুমে ও ঘাটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,জেলা পুলিশ ,নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তাবৃন্দ নিয়মিত ডিউটি করবেন,রাতের বেলা কোন বাল্কহেড চলতে দেয়া হবেনা,ঈদের ৭ দিন আগে ও পরে লঞ্চ চলাচলের রুটে কোন বাল্কহেড চলাচল করতে দেয়া হবেনা, কোষ্টগার্ড এ ব্যাপারে কঠোর নজরদারি করবে,ঈদের আগে ও পরের কয়েকদিন স্কাউট ও রোভার সদস্যগণ নিয়মিত ঘাটে যাত্রীদের সহযোগিতায় মোতায়েন থাকবে,এ বছর আনসার সদস্যবৃন্দও লঞ্চঘাটে মোতায়েন থাকবে,আজকের মধ্যে লঞ্চঘাটের গ্যাংওয়ের দুপাশের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।






Related News

Comments are Closed