বেনাপোলের দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে খবরে তোলপার শুরু হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: বেনাপোলে দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে খবরে তোলপার। গতকাল বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত দেশের স্থলবন্দর বেনাপোল পোর্ট থানায় কার্মরত দুই এসআই এর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীকে মোটা টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে অভিযুক্ত এসআই শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব ও মনির হোসেন তাদের বিরুদ্ধে যাতে কোন দুর্নীতির প্রমান না পাওয়া যায় সে জন্য বুধবার গোটা দিনব্যাপী বিভিন্ন স্থানে এলাকাবাসীদের কাছে ধর্ণা দিয়েছেন।

এ সময় তারা মাদক ব্যবসায়ী সাদীপুর গ্রামের হযরত আলীর স্ত্রী সইতুন বিবি ও একই গ্রামের ব্যবসায়ী মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে শওকত আলীর সন্ধান করেছেন। তাদেরকে ম্যানেজ করতে এখন ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তাছাড়া বেনাপোল পোর্ট থানাসহ সীমানতবর্তী থানা পুলিশ ক্যাম্প এলাকায় র্দীঘ এক যুগ যাবৎ দায়িত্ব পালনকারী ওই দুই এসআই স্থাানীয় যুবলীগ ও জেলা পরিষদের নেতার স্মরণাপন্ন হয়ে অভিযোগ করেছেন।

এদিকে কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসার ঘটনা ঘটেছে বেনাপোল এলাকায়। বেরিয়ে এসেছে ওই দুই এসআইয়ের গড়া অবৈধ অর্থ বিওর কাহিনী। বেনাপোল এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন (নাম প্রকাশ করতে ইচ্ছুক না) এসআই মনির হোসেন বেনাপোল গাজীপুর এলাকার একটি মসজিদের পাশে ৭৬ লক্ষ টাকায় একটি ভবন ক্রয় করেছেন ভবনটি নিজের নামে নয়।

তার নিকটতম এক আত্মীয়র নামে ক্রয় করেছেন। তাছাড়া বেনাপোল এলাকায় তার বিরুদ্ধে নারীঘটিত অনেক ঘটনার অভিযোগ এনেছেন স্থানীয় লোকজন সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে বেনাপোল পোর্ট থানার বর্তমানে যে কয়জন এস আই এএসআই ও পুলিশ কনস্টেবল দায়িত্ব পালন করছেন তারা এসআই শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব ও মনির হোসেন এর কাছে জিম্মি নাম প্রকাশ না করা শর্তে পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন শেখ হাবিবুর রহমান হাবিবের ভয় এস আই এ এস আই গণ যথেষ্ট থাকেন তাদের অভিযোগ হাবিব মিথ্যা অভিযোগ তুলে থানা কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেন নড়াইল জেলার শেখ হাবিবুর রহমান নিজেকে প্রভাবশালী ও ক্ষমতা ধর পুলিশ কর্তা দাবি করে দম্ভোক্তির সাথে দায়িত্ব পালন করে থাকেন তিনি পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরিতে যোগদান করে পদোন্নতি পাওয়ার পর তার চাকরি জীবন এক যুগ কেটে গেছে সীমান্ত এলাকার থানা ও পুলিশ ক্যাম্প গুলিতে তিনি এই অঞ্চলের দায়িত্ব পালনের সুযোগে নড়াইল জেলা শহরে বিলাসবহুল বাড়িসহ নামে-বেনামে সম্পদ ও অর্থের পাহাড় গড়েছেন সূত্রগুলো জানিয়েছে এসআই মনির হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানায় কর্মরত রয়েছেন অনেক বছর তিনি ও পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরিতে ঢুকে যশোর সীমান্ত এলাকার শার্শা থানার ওয়ারলেস অপারেটর ছিলেন অপারেটর থেকে এ এস আই তারপর এস আই পদে পদোন্নতি পেয়ে সীমান্তবর্তী থানা এলাকায় কর্মরত থেকে যান তার চাকরি জীবনের দীর্ঘকাল সীমান্তবর্তী এলাকার থানা পুলিশ ক্যাম্প এলাকার চাকরি করার সুযোগ করে দেন পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পুলিশের ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তার আত্মীয় দাবি করে তিনি দাপট ও দম্ভোক্তির সাথে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন সীমান্ত এলাকায় নারীদের সাথে তার যোগাযোগের বিষয়টি কারো অজানা নয় অবিলম্বে বেনাপোল পোর্ট থানায় কর্মরত এই দুই এসআইয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্থায়ী ব্যবসায়ীসহ পুলিশের কর্তা ও সদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.