Main Menu

কেশবপুরে ইরি ধান চাষের জন্য কৃষকরা স্বেচ্ছাশ্রমে পলি অপসারনের উদ্যোগ গ্রহণ

শামীম আখতার, ব্যুরো প্রধান খুলনা: যশোরের কেশবপুরের পুর্বাংশের ৩ ইউনিয়নের কৃষকরা স্বেচ্ছাশ্রমে হরিহরনদীর সংযোগ খালের পলি অপসারনের উদ্যোগ নিয়ে ইরি বোরো আবাদ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। জানা গেছে, উপজেলার চুয়াডাঙ্গা, পাথরা ও বুড়–লি এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুুইসগেটটি পলি পড়ে ভরাট হয়ে হরিহর নদীর সংযোগ খাল ভরাট হয়ে যায়। যা নিয়ে উপজেলার পাঁজিয়া, মঙ্গলকোট ও সুফলাকটি ইউনিয়নের কৃষকরা বদ্ধ পানি সরাতে না পেরে দুঃশ্চিন্তায় পড়েন।
পুর্বাংশের বিভিন্ন বিলের মাছের ঘেরের পানি মুল গেট দিয়ে প্রবাহিত হতে না পারায় ইরি বোরো বীজতলা প্রস্তুত করা ও আবাদ করা কঠিন হয়ে পড়েছে কৃষদের। সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষকরা স্ব উদ্যোগে বিঘা প্রতি ১শ টাকা হারে চাঁদা দিয়ে দেশীয় প্রযুক্তির সাহায্যে ও নিজেরা শ্রম দিয়ে সংযোগ খালের পলি অপসারনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের দূর্দশার কথা শুনেন। তিনি কৃষদের এ উদ্যোগকে একটি ব্যাতিক্রমীসহ সরকারের অপেক্ষায় না থেকে নিজেরাই উদ্যোগী হওয়ায় সাবাস বলে অবিহিত করে ফেস বুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। পাঁজিয়া গ্রামের কৃষক বাবুর আলী সরদার, বারিক সরদার মুনছুর গাজী, সোহরাব হোসেন, আব্দুল গফুর মোড়ল, চৈতন্য মন্ডল জানান, এলাকায় ৩০ পৌষের ভিতর বিলের অভ্যন্তরের ঘেরের পনি সেচ দিয়ে দেওয়ার শর্তে মাছের ঘের করা হয়। এখনও পর্যন্ত বিলের পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় চাষীরা পড়েছেন মহাবিপাকে। অনেকের ডাঙ্গা এলাকায় বীজতল প্রস্তুত রয়েছে। সে বীজ তলার ধানের চারা (পাতা) বড় হয়ে যাচ্ছে। পানি সেচ দিতে না পারায় এবার ইরি বোরো আবাদ নিয়ে তারা রয়েছেন দুঃশ্চিন্তায়।






Related News

Comments are Closed