কেশবপুরে অপহরণের দু‘দিন পর যুবক উদ্ধার আটক-১

ব্যুরো প্রধান খুলনা: কেশবপুরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদার দাবিতে এক যুবককে অপহরণ করে ঘরে আটক রেখে দুই দিন ধরে নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খরর পেয়ে থানা পুলিশ শহরের উপজেলা পাড়া থেকে ওই যুবককে উদ্ধারসহ সোহেল নামের এক অপহরণকারীকে আটক করেছে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার আড়ংপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেক মোড়লের ছেলে ফারুক হোসেনের সাথে কেশবপুর উপজেলার লক্ষীনাথকাটি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. জসিমের টাকা, পয়সা লেনদেন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে, গত ৪ জানুয়ারী বিকেলে ফারুক হোসেন নিজ প্রয়োজনে উপজেলার ভান্ডারখোলা বাজারে আসলে মো. জসিম ও তার ভাই সোহেলসহ ৮/১০ জন যুবক ওই বাজার থেকে তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে কেশবপুর শহরের উপজেলা পাড়ার জনৈক হারুন অর রশিদের বাড়িতে আটকিয়ে রেখে লোহার রড, লাঠি দিয়ে মারপিটসহ নির্যাতন করতে থাকে। পরে ওই সন্ত্রাসীরা ০১৭৭০২২৯২২৮ নং মোবাইল ফোন থেকে তার ভাই জয়নাল আবেদীনের ব্যবহৃত ০১৬৭১২৩৬৭৪৮ নং মোবাইল ফোনে ৫০ হাজার টাকা চাঁদার দাবি করে। ওই টাকা নিয়ে উপজেলা মোড়ে আসলে তার ভাইকে ফেরত দেয়া হবে এবং এ কথা কাউকে জানালে তার ভাইকে হত্যা করা হবে বলেও তারা হুমকি দেয়। এ ঘটনার ২দিন পর ৬ জানুয়ারি অপহরণের শিকার ফারুক হোসেনের ভাই জয়নাল আবেদীন কৌশলে ঘটনাটি কেশবপুর থানার ওসিকে জানালে থানার এসআই ফকির ফেরদৌস ও প্রসেনজিৎ এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই বাড়ি থেকে অক্ষত অবস্থায় ফারুক হোসেনকে উদ্ধারসহ ঘটনাস্থল থেকে মো. সোহেলকে আটক করে। এ ঘটনায় ফারুক হোসেনরে ভাই জয়নাল আবেদীন বাদি হয়ে মো. জসিম, ভোগতীনরেন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে মো. সোহেল (৩২) ও তার স্ত্রী রোমানা আফরোজের নাম উলেখসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। যার নং- ২। তারিখ- ০৬/০১/১৯।
এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিন বলেন, উভয়ের মধ্যে টাকা, পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। মামলার ভিকটিম ফারুক হোসেনকে জবানবন্দীর জন্যে ও আসামী সোহেলকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.