Main Menu

মাদকের জোয়ারে ভাসছে সানারপাড় এলাকা

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সানারপাড় এলকার আনাচে-কানাচে মাদকের বেপরোয়া বাণিজ্য। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, সানারপাড় এলাকার আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রূপচাঁন ও তার স্ত্রী নুরনাহার একাধিকবার থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ নারায়ণগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গ্রেপ্তার করলেও জামিনে বের হয়ে শুরু করে মরণব্যাধী মাদক ব্যবসা। বর্তমানে রূপচাঁন ও নুরনাহার জেলখানায় থাকলেও থেমে নেই তাদের মাদক ব্যবসা। তাদের ছেলে রাসেল ও মেয়ে রূপালী প্রতিদিন প্রায় লক্ষ টাকার গাঁজা বিক্রি করে যাচ্ছে। তাদের রয়েছে মাদক বিক্রির একদল কর্মী বাহিনী। আরো রয়েছে কয়েকজন শোর্স। কখন প্রশাসনের লোক আসে, দেখামাত্রই তাদের ফোনে জানিয়ে দিলে মাদকের সেলসম্যানরা যে যার মতো চলে যায়। তাদের মধ্যে অন্যতম ল্যাংড়া আমজাদ। জানা যায়, আমজাদই নাকি পুরো শোর্সের নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তার পাশাপাশি রয়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ী চায়না রণি, পিতা- বাদশা ভূঁইয়া। রেহানা রণির মা ইয়াবা ব্যবসায়ী। বৈচা, আওয়ামী লীগ নেতা সুলতানের বাড়ির ভাড়াটিয়া। লন্ডন মার্কেট এলাকার বাসেদ ভূঁইয়ার ছেলে রনি নিমাইকাসারী আলোচিত হিরোইন ব্যবসায়ী বানেছা। আরিফ, পিতা- লালচাঁন ভূঁইয়া। ইয়াসিন। আলমগীর, পিতা- নেওয়াজ আলী। আলী মিয়া, পিতা- আজমত আলী। ৫/৭ বৎসর আগে বিদেশ থেকে এসে মাদক ব্যবসার কাচা টাকার লোভ সামলাতে না পেরে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে দেধারচ্ছে বাঘ মারা এলাকার মর্জিনা। সানারপাড় এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানায়, মাদকের ছোবলে স্কুল-কলেজের পড়–য়া ছেলে-মেয়েরা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বেড়েছে এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড। তিনি আরো বলেন, মাঝে-মধ্যে দেখা যায় প্রশাসনের লোকজন মাদক ব্যবসায়ীদের ধরে নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে রাস্তা থেকে ছেড়ে দেয়। “এই যদি হয় প্রশাসনের অবস্থা, অপরাধ দমন করবে কে?” তাই সচেতন মহলের দাবি দেশ ও সমাজকে বাঁচাতে প্রশাসনের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা।






Related News

Comments are Closed