Main Menu

রাজবাড়ীর পাংশায় গৃহবধু সাবিহা আত্মহত্যা , নেপথ্যে পারিবারিক নির্যাতন।

pangsaপাংশা,রাজবাড়ী  প্রতিনিধি: রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৈশালা এলাকার মোছাঃ ছাবিহা আক্তার টুনি (৩৬) নামে এক গৃহবধূ গলায় ওড়না পেচিয়ে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সংগে ঝুলে আত্মহত্যা করেন বলে জানা যায়।
ঘটনাটি ঘটে ৩রা নভেম্বর সকাল ১০ টার দিকে।আত্মহত্যাকারীর স্বামী সাবেক ইউপি সচিব দবির উদ্দিন জানান, সকাল ৯ টার দিকে আমি তাড়াতাড়ি নাস্তা বানানোর কথা বলে একটু বাইরে যাই। পরে ফোনে খবর পাই যে আমার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে । তারপর আমি দ্রুত বাসায় ফিরে দেখি এই অবস্থা।জানা যায় প্রায় দুই বছর একটু হল দবির- ছাবিহা দম্পত্তির বিবাহ হয়েছে। তাদের দুজনেরই এটা দ্বিতীয় বিবাহ। দবির উদ্দিনের গ্রামের বাড়ী উপজেলার কলিমহর ইউপিতে এবং ছাবিহার বাবার বাড়ী কালুখালীর কালিকাপুর ইউপিতে। এই দম্পত্তি কিছুদিন আগে থেকে মৈশালা প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন বাবু আলীর বাড়ীতে ভাড়াটিয়া হিসেবে ছিল। এ ব্যাপারে ছাবিহার ভাই প্রবাসী আমিনুল ইসলাম সাহেব আলী বলেন, আমার বোনকে সুপরিকল্পভাবে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে সিলিং এর সাথে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে।চলতি মআআসে আমার বোনকে একটি ফ্রিজ দেবার কথা ছিল, এজন্য আমার বোনকে প্রায়পি  আমার বোন হত্যা না আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করা হোক। অন্যদিকে দেশে অবস্থানকারী সাবিহার ভাবি বিউটি খাতুন জানায়, টুনির মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত যেয়ে দেখি সে সিলিং ফ্যানের এক পাখার সাথে ঝুলছে। কিন্তু সিলিং অনেক উচু হওয়ায় আমার ননদের নাগাল পাওয়ার কথা না, আমার ধারণা তাকে মেরে দিয়ে আত্মহত্যা বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমার ননদকে প্রায়শই মারধর করত আগের পক্ষের সতীনের ছেলে রেজাউল,ইমন এবংঅন্যরা তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিত। গত ৩রা নভেম্বর সকালে  তিনি শেষবারের মত কথা বলেন সাবিহার সাথে, এসময় সাবিহা তার উপর নির্যাতনের কথা বলেন এবং কান্নাকাটি করেন। তার ধারণা, পরিবারের অসহ্য নির্যাতন সহ্য করতে পেতেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমায় সাবিহা। সাবিহার বড় ভাই আ: জলিল বিশ্বাস বলেন, দবিরের পরিবার আমাদের একলক্ষ টাকা দিতে চেয়েছে যায়ে আমরা মামলা না করি, এতে পরিস্কার বোঝা যায় তারা আমার বোনকে মেরে ফেলেছে। পাংশা মডেল থানার ওসি জনাব এস,এম শাহাজালালের সাথে ফোনে কথা বলেছেন সাবিহার ভাই আমিনুল ইসলাম সাহেব আলী, তিনি তার বোনের জন্য সুষ্ঠ বিচার দাবি করেন। ওসি সাহেব তাকে সঠিক বিচার দানের আশ্বাস প্রদান করেন। শুক্রবার সাবিহার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। একমাস পর রিপোর্ট পাওয়া যাবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ গ্রামে সাবিহার লাশের দাফন সম্পন্ন হয়। গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।উপস্থিত সবাই সঠিক বিচার দাবি করেন।






Related News

Comments are Closed