Main Menu

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঘটনার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে সমাবেশ

14963202_10211306858613174_4399962269852060269_nবাংলাদেশীজ এগেইনস্ট ফান্ডামেন্টালিজম সংগঠনের ডাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর মৌলবাদীদের আক্রমণ, ৩শ বাড়িঘরে আগুন দেয়া, ১৫টি মন্দির ও অসংখ্য মুর্ক্তি ভাঙার প্রতিবাদে মঙ্গলবার জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় সর্বস্তরের মানুষের এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। সমাবেশে স্বাগত বক্তব্যে সৈয়দ মোহাম্মদুল্ল্যাহ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমরা একই চিত্র দেখে আসছি। কিছু হলেই হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। এটি বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, মৌলবাদী মহল সরকারের ভাবমুর্ক্তি নস্যাৎ করার জন্যে এটি করছে, সরকারকে এটি বুঝতে হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপি’র বিবৃতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ওই বিবৃতিতে ঘটনার জন্যে সরকারকে দায়ী করা হয়েছে, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে সরকারকে প্রমান করতে হবে কারা এ ঘটনার জন্যে দায়ী। সমাবেশের অন্যতম উদ্যোক্তা শিতাংশু গুহ বলেন, হিন্দুদের ওপর আর কত অত্যাচার হলে সরকারের হুঁশ হবে? তিনি প্রশ্ন তুলেন, সন্ত্রাস দমনে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি প্রশংসনীয়, কিন্তু সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিচ্ছেন না কেন? ফাহিম রেজা নূর বলেন, ধর্ম-নির্বিশেষে সবাই মিলে আমাদের মৌলবাদ ঠেকাতে হবে। অপর উদ্যোক্তা গোপাল স্যানাল বলেন, আজ পর্যন্ত সংখ্যালঘুর ওপর অত্যাচারের কোন বিচার হয়নি, আমরা জানতে চাই হিন্দুরা বাংলাদেশ থাকতে পারবে কিনা? সুব্রত বিশ্বাস বলেন, স্থানীয় প্রশাসন কেন মৌলবাদীদের মিছিল করার অনুমতি দিলো এবং উত্তেজনা বাড়ার পরও কোন ব্যবস্থা নিলোনা? অন্যতম উদ্যোক্তা স্বীকৃতি বড়ুয়ার পরিচালনায় এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নাসুমুন্নাহার নিনি; নমিতা মুখার্জী; ওবায়দুল্লাহ মামুন; রমেশ নাথ; লুৎফুন্নাহার লতা; খোরশেদুল ইসলাম; অবিনাশ আচার্য্য; রবীন্দ্রনাথ সরকার প্রমুখ। সমাবেশে স্পেশাল ট্রাইবুনাল গঠন করে অপরাধীদের বিচারের আহ্বান জানানো হয়।






Related News

Comments are Closed