Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জে বিদ্যালয়ে অর্থ আদায় করে সার্টিফিকেট প্রধান মূল হোতারা বাহাল তবিয়তে

01সিদ্ধিরগঞ্জ  ঃ সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধিন মিজমিজি বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমাপনী পরীক্ষার সার্টিফিকেট প্রদানে অর্থ আদায়কারী দুর্নিতীগ্রস্থ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বসহ মূল হোতারা এখনো বহাল তবিয়তে। প্রাথমিক শিক্ষ সমাপনী পরিক্ষার সার্টিফিকিট প্রদানে অর্থ আদায় সংক্রান্ত অভিযোগে স্থানীয় বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরও রহস্যজনক কারনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্নীতিগ্রস্থদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করছে না বলে অভিভাবকদের অভিযোগ।
জানা গেছে, নাসিক ১নং ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্থলোভী দুর্নিতীগ্রস্থ ও স্বঘোষিত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বসহ তার অনুগত কয়েকজন শিক্ষক সরকারী নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ন শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জনপ্রতি দেড়’শ টাকা আদায় করে। গত ১৯ অক্টোবর সকালে টাকা নিয়ে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়ের অর্থলোভী দূর্নিতীগ্রস্থ ও স্বঘোষিত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের এমন অনিয়মের কারণে এলাকার অভিভাবকদের মাঝে দেখা দেয় ক্ষোভ। অভিযোগ রয়েছে নিয়ম নীতি বহির্ভূত ভাবে গায়ের জোরে ওই বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষককে বাদ দিয়ে নিজেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বনে যায় আবু তৈয়ব। তিনি সরকারী বিধি লংঘন করে নিজেই কোচিং সেন্টার খুলে বাধ্যতামুলক কোচিং করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে,মিজমিজি বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ন ও সার্টিফিকেট প্রাপ্ত মিজমিজি পাগলাবাড়ী এলাকার আমির হোসেনের ছেলে সাইদুর রহমান এবং মোঃ নাসিরের ছেলে সুমনসহ কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমাদের কাছ থেকে সার্টিফিকেট বাবদ এক থেকে দেড়’শ টাকা করে আদায় করেছে। যারা টাকা দিতে না পারছে তাদেরকে সার্টিফিকেট দিতে গড়িমসি করা হয়েছে। তাই নিরুপায় হয়ে আমাদেরকে টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হয়েছে। প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ন ছাত্র/ছাত্রীদেরকে সার্টিফিকেট প্রদানে অর্থ আদায় সম্পর্কে বিদ্যায়লয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু তৈয়বের ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে বিষয়টি পাশ কাটিয়ে অফিসে আসলে জানানো যাবে বলে সংযোগটি বিচ্ছিন করে দেন। এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানায়, আমি অসুস্থ্যতার জন্য দুই দিন অফিসের বাহিরে ছিলাম। এ বিষয়ে আমি খোজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।






Related News

Comments are Closed