Main Menu

জুয়েলকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৬২ হাজার টাকা আদায়, এএসআই সরোয়ার্দীর হুমকি বেশি বাড়াবাড়ি করলে পরিনাম ভাল হবে না !

rubelস্টাফ রিপোর্টারঃ বন্দর থানার এ এস আই আলম সরোয়ার্দী রুবেলের বিরুদ্ধে ঘুষ কেলেংকারি ও জুয়েলকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৪৮ ঘন্টা আকট করে নির্যাতন করে ৬২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন হওয়ায় বন্দন ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশের এই নেক্কারজনক ঘটনা নিয়ে সবত্রই আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অপরদিকে বিতর্কিত অর্থলোভী এএসআই আলম সারোয়ার্দী ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে দৌড়ঝাপ করছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বন্দর থানার ঘাড়মোরা এলাকার জুয়েল ও তার স্ত্রী রুমা বেগম ও তার শাশুরী জানায়, এ ঘটনার পর ডোম রোমান, পুলিশের সোর্স রাজু, এএসআই আলম সারোয়ার্দী একেরপর এক হুমকি দিচ্ছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছে। এ ব্যপারে সদ্য যোগদানকারি সৎ পুলিশ পুলিশ সুপার মঈনুল হক এর হস্তক্ষেপ কামনা করছে। এলাকাবাসী জানায়, সৎ পুলিশ সুপারের সুনামকে ধুলিস্যাৎ করার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার এএসআই হোসেন সরোয়ার্দীই যথেষ্ট। এ ব্যপারে বিতর্কিত অর্থলোভী দারোগাকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুধী সমাজ অনুরোধ করেছে।
উল্লেখ্য যে, গত ২৯শে সেপ্টেম্বর রাতে বন্দর থানার এএসআই হোসেন সারোয়ার্দী ডোম রোমান, পুলিশের সোর্স রাজুসহ পুলিশ নিয়ে ঘাড়মোড়া এলাকার খাজা মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় তার ছেলে জুয়েল (৪০) কে ওয়ারেন্টের কথা বলে আটক করে বাসা থেকে নিয়ে আসে। থানার দাশেরগাও এলাকায় এক নির্জন জায়গায় নিয়ে জুয়েলকে অমানসিক নির্যাতন চালায় এবং ডোম রোমান ও সোর্স রাজুকে দিয়ে জুয়েলের স্ত্রী রুমা, মাকে ফোন করে। ক্রসফায়ারের কথা বলে ৭০ হাজার টাকা দাবী করে। পরদিন দুপুর ২টায় গহনা বিক্রি করে ও ধারদেনা করে ৬২ হাজার টাকা নিয়ে ধামগড়ে যায়। হোসেন সারোয়ার্দী ৮ হাজার টাকা কম দেয়ায় স্ত্রী রুমা ও আটককৃত জুয়েলের মাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ৬২ হাজার টাকা রেখে ছেড়ে দেয়ার কথায় চুক্তি করে হেন্ডকাপের চাবি খোলার চেষ্টা করে। একপর্যায় এএসআই হোসেন সারোয়ার্দী তাদেরকে বলে আমি থানায় নিয়ে যাই ওইখানে হেন্ডকাপ খুলে ছেড়ে দিবো। পরে থানায় নিয়ে জুয়েলকে হেন্ডকাপ খুলে হাজতখানায় আটক রাখে। পরে পুলিশ বলে, ওসি স্যার আসলে ছাড়া হবে। পরদিন ১ অক্টোবর ৫৫পিছ ইয়াবা রিকভারি দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে। এ সময় উপস্থিত জনতার সম্মুক্ষে জুয়েল দুই কনস্টেবলের সামনে হোসেন সারোয়ার্দীকে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে এবং উপরোক্ত বিষয়ে সবার সামনে আলোচনা করে। এ ঘটনায় জুয়েলের মা ও স্ত্রী বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালামকে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে সমস্ত ঘটনা জানায় এবং হোসেন সারোয়ার্দীর অপকর্মের কথা তুলে ধরে বিচার দাবী করে। অফিসার ইনচার্জ তাদেরকে জানায়, এখন আমি বরিশালে একটি মামলা সাক্ষি দিতে যাচ্ছি। আগামী ৪ তারিখ সকাল ১১টায় আপনারা আসবেন আমি এএসআই হোসেন সারোয়ার্দীর কান ঘরে টাকা উদ্ধার করে দিবো। এরপর থেকেই হোসেন সারোয়ার্দী জুয়েলের পরিবারকে একেরপর এক মামলার ভয় ও হুমকিধমকি দিচ্ছে। তার স্ত্রী রুমা বেগমকে ব,ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোর স্বামীর সাথে তোকেও ইয়াবার মামলা দিয়ে চালান করে দিবো। জেল খাটলে বুঝবি দারোগা হোসেন সারোয়ার্দীর কতটুক ক্ষমতা রয়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষ আমার চাকরি খেতে পারবে না। হয়তো আমাকে বদরী করে দিতে পারবে। উপর মহলে আমার নিজেরও অনেক বড় বড় লোক রয়েছে। এ ব্যপারে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগিরা।






Related News

Comments are Closed