Main Menu

নূর হোসেনকে পিটিয়েছি হবুল আবার কে ? আতিকুর রহমকান নান্নু মুন্সি

01-mediumসিদ্ধিরগঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা চরমোনাই অনুসারী আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি হুংকার দিয়ে বলেছেন, এমপি শামীম ওসমানকে গণায় ধরিনা, সিদ্ধিরগঞ্জের ত্রাস নূর হোসেনকে পিটিয়েছি, হাবিবুল্লাহ হবুল আবার কে ! ১০ মিনিটের মধ্যে তার বাড়ী-ঘর মার্কেট ভেঙ্গে এলাকা ছাড়া করে দিতে পারি। শুধু নিরীহ ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হওয়ার কথা চিন্তা করে কিছু করলাম না। পুলিশ হবুলের উদ্যোগে আয়োজিত ভন্ড দেওয়ানবাগীর আশেকে রাসুল সম্মেলন বন্ধ করার আশ্বাস দিয়েছে। তাই আজ চলে গেলাম। এর পর যদি দেওয়ানবাগীর কোন কার্যক্রম করে তা কঠোর ভাবে প্রতিহত করা হবে। দেওয়ানবাগীর আশেকে রাসুল নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আওয়ামীলীগ পদহিন নেতা হাবিবুল্লাহ হবুলের উদ্যোগে ১ আক্টোবরের অনুষ্ঠান প্রতিহত করার প্রতিবাদে গতকাল বাদ জুম্মা শিমরাইল মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা শেষে হাবিবুল্লাহ হবুলের মালিকানাধীন আহসান উল্লাহ সুপার মার্কেটের সামনে দাড়িয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছে চোখ রাঙিয়ে এসব কথা বলেন নান্নু মুন্সি। বাদ জুম্মা তৌহিদী জনতার ব্যানারে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সির নেতৃত্বে দেওয়ানবাগীর আশেকে রাসুল সম্মেলন প্রতিহত করার লক্ষে বিক্ষোভ মিছিল বের করার উদ্যোগ নিলে আইনশশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন রাখতে থানা পুলিশ বাঁধা দেয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ সরাফত উল্লাহ ও ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম আন্দোলনকারীদের অবগত করায় দেওয়ানবাগীর অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতেই আয়োজকরা নিজ উদ্যোগে গেইট ও হেন্টেল খোলে ফেলেছে। সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ ওই অনুষ্ঠান করতে দিবে না বলে আশ্বাস দিলে চরমোনাই পীরের অনুসারী ইসলামি আন্দোলনের নেতারা বিক্ষোভ মিছিল বানচাল করে শিমরাইল মোড় মিনার মসজিদের সামনের সড়কে পুলিশের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত সভা করে যে যার মতে চলে যায়। ওই সভা শেষ করে আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি ২০/৩০ জন নেতাকে সাথে নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে পায়ে হেটে চলে যান হাবিবুল্লাহ হবুলের মালিকানাধীন আহসান উল্লাহ সুপার মার্কেটের সামনে। এসময় মার্কেটের বহু ব্যবসায়ী একত্র হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল। সেখানে গিয়ে নান্নু মুন্সি গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে আহসান উল্লাহ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছে হাবিবুল্লাহ হবুলের প্রতি হুংকার দিয়ে উক্ত কথা গুলো বলেন। এমপি শামীম ওসমানকেও গনায় ধরেনা নান্নু মুন্সির এমন কথা শুনে উপস্থিত সকলেই নান মন্তব্য শুরু করে দেন। তবে গত ২ হাজার ১০ সালে শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালে চরমোনাই অনুসারীরা হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে নূর হোসেনকে মারধর ও তার অফিস ভাংচুর করেছিল তা স্থানীয় সকলেই অবগত। একই সালে শিমরাইল মোড়ে সরকার বিরোধী কঠোর বক্তব্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক সভায় নান্নু মুন্সি পুলিশ প্রশাসনকেও কঠোর হুশিয়ারী প্রদান করে বক্তব্য দিয়েছিল। যা স্থানীয় বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার পরও বহু অপকর্মের হোতা একাধিক মামলার আসামি সিদ্ধিরগঞ্জের শীর্ষ জ্বালানি তেল চোরাকারবারী নান্নু মুন্সি বহাল তবিয়তে রয়েছে। যে কারণে সে এমমি শামীম ওসমানকেও গনায় ধরেনা তার এ কথা বিশ্বাস করতে কোন সন্দেহ করেনি উপস্থিত লোকজন।
অপরদিকে চরমোনাই অনুসারীদের প্রতিবাদে দেওয়ানবাগীর শিষ্যরা পিছু হটে আশেকে রাসুল সম্মেলন বন্ধ করে দেওয়ায় বড় ধরনের সংঘর্ষ থেকে শিমরাইলবাসী রক্ষা পেয়েছে। তবে ভন্ড দেওয়ানবাগীর শিষ্য হয়ে হাবিবুল্লাহ হবুল এলাকায় চরম সমালোচনার মুখে পড়েছেন। প্রভাবশালী হবুলের পিছু হঠাকে স্থানীয়রা সাধুবাদ জানালেও নৈতিক ভাবে তার ব্যাপক ইমেজ ক্ষুন্ন হয়েছে। এলাকায় হবুলের যে দাপট ছিল তাতে ব্যাপক ভাডা পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।






Related News

Comments are Closed