Main Menu

আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন স্বর্ণপদক পেলেন দুই বিশিষ্টজন

2016-09-25_21_955625ভারতের পূর্ববঙ্গ গীতিকা ও ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেনের স্বার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশের দুজ’ন কৃতি সন্তানকে “আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন স্বর্ণপদক” এ ভূষিত করা হয়েছে।
দীনেশ চন্দ্র সেন রিসার্চ সোসাইটি কর্তৃক আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে শহীদ মুনীর চৌধুরী হলে এই পদক প্রদান করা হয়।
স্বর্ণপদক প্রাপ্তরা হলেন- বিশিষ্ট চিকিৎসক ও ভাষা সৈনিক প্রফেসর মির্জা মাজাহারুল ইসলাম এবং বিশিষ্ট কবি ও বিশ্বকল্যাণ রাষ্ট্র আন্দোলনের চেয়ারম্যান সমরেশ দেবনাথ। বাংলাভাষার উৎকর্ষ সাধনে বিশেষ অবদানের জন্য তাদের এ পদকে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ.আ.ম.স আরেফিন সিদ্দিক।
উল্লেখ্য,এর আগে কলকাতা প্রেসক্লাবে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া’কে সমাজসেবা ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে অবদান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি বিশেষ অনুরাগের জন্য দীনেশ চন্দ্র সেন স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডেপুটি স্পিকার বলেন, আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন বাংলাভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে অনবদ্য ভূমিকা রেখেছেন। পূর্ববঙ্গ গীতিকা ও ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা লোক সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। সাধারণ বাঙালির জীবনের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে তার সাহিত্যকর্মে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুণীজনদের যথার্থ সম্মান দিতে জানেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি তার বিশেষ অনুরাগ রয়েছে। সাহিত্যিক ও শিক্ষকদের প্রতি রয়েছে তাঁর অগাধ শ্রদ্ধা।
এসময় তিনি দীনেশ চন্দ্র সেনের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য দীনেশচন্দ্র সেনের জন্মস্থান মানিকগঞ্জে দীনেশ চন্দ্র সেনের নামে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য তাঁর সরকারে প্রতি অনুরোধ জানান।
বাংলা সাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন এর অবদানের কথা তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, অমাদের যেসব সাহিত্য বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আছে সেসব প্রতিষ্ঠানের উচিৎ হবে এই মহান গবেষক, সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ এর স্মৃতিকে স্মরণ করে প্রশংসনীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা।
দীনেশ চন্দ্র সেনের সাহিত্যকর্মকে চিরঞ্জীব করে রাখার জন্য দুই বাংলার পক্ষ থেকে বিশেষ সরকারি উদ্যেগ গ্রহণ করার উপরও গুরুত্বারোপ করেন ডেপুটি স্পিকার।
অনুষ্ঠানে ঢাকা ওয়াসার সাবেক চেয়ারম্যান ড. গোলাম মোস্তফা, মানিকগঞ্জ পৌর মেয়র গাজী কামরুল হুদা সেলিম, সিংগাইর কলেজের অধ্যক্ষ মোহম্মদ নুরুদ্দিন, সিসিএলপি-বাংলাদেশ সভাপতি কার্তিক বিশ্বাস প্রমুখ বক্তব্য দেন।






Related News

Comments are Closed