Main Menu

মোবাইলের জন্য মামার বিরুদ্ধে ভাগ্নেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

মোবাইলের জন্য মামার বিরুদ্ধে ভাগ্নেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ

সামান্য একটা মোবাইল ফোনের জন্য ফেনীতে মামার বিরুদ্ধে ভাগ্নেকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আরও একটি খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ লাশ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

সোমবার রাতে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের কলাতলী গ্রামের আব্দুল মুন্সী ঘাট এলাকায় আপন মামা নুরুল আলম গলা কেটে হত্যা করে তার ভাগ্নে মনসুর আলমকে (১৩)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় মফিজুর রহমানের ছেলে মাদকাসক্ত নূরুল আলম একটি টার্চ মোবাইল ফোনের জন্য সোমবার বিকাল থেকে ভাগ্নের সাথে ঝগড়া করে আসছিল। রাতে কোন এক সময় ভাগ্নেকে নদীর ঘাটে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। সকালে স্থানীয়রা নদীর পাশে ঝোঁপের মধ্যে মনসুরের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এসময় পুলিশ ঘাতক নুরুল আলমকে আটক করে। আলম তার ভাগিনা মনসুরকে প্রথমে চোখে মরিচের গুঁড়া দিয়ে মাটিতে ফেলে কাবু করার চেষ্টা করে। পরে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে বলে পুলিশকে জানায়। নিহত মনসুর আলমের মা স্বামী পরিত্যক্ত বলে জানা যায়। মনসুরের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে নানার বাড়িতে অবস্থান করছে।

একই দিন বেলা ১১টায় ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নের এলনা পাথর এলাকা থেকে এক দিনমজুরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা যায়, রবিবার ওই এলাকার বকু মিয়ার বাড়িতে কাজ করার জন্য চারজন দিন মজুরের ভাড়ায় আনেন বকু মিয়া। দুই দিন কাজ করার পর সোমবার বিকালে তিনজন দিনমজুর টাকা নিয়ে বাড়ি চলে যায়। সকালে ওই এলাকার একটি ধানক্ষেতে লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে বকু মিয়া পলাতক রয়েছে।

মহামায়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহ গরীব হোসেন চৌধুরী বাদশা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এখন পর্যন্ত নিহতের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

ছাগলনাইয়া থানার পরিদর্শক মো. রাশেদ খান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত জানান, চার দিন মজুরের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোনো কোন্দলকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

আজকের কালের চিত্র/৩০ আগস্ট, ২০১৬/ আরিফ






Related News

Comments are Closed