Main Menu

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সত্যকে আড়াল করে মামলা দায়ের

এন.এন.এস.২৪, সিদ্ধিরগঞ্জ ঃ আর্থিক ফায়দা লুটতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সত্যকে আড়াল করে মামলা দায়ের। গ্রেফতার আতংকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেরাচ্ছে সরকারদলীয় নেতা-কর্মিরা। গত ২০’আগষ্ট ১৬ইং এম.এ.মান্নান ভূইয়া বাদী হয়ে গোদনাইল ইউনিয়ণ যুবলীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান ও প্রচার সম্পাদক শহিদুল্লাহগংদের বিরুদ্ধে ৪৫’নং মামলাটি দায়ের করেন। সচেতন এলাকাবাসী সঠিক তদন্ত্র সাপেক্ষে প্রকৃত আসামীকে গ্রেফতার করে নিরাপরাধ জনতাকে অযথা হয়রানী না করতে উদ্ধর্তন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজিলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল পশ্চিম আইলপাড়া এলাকার সামছুদ্দিনের ছেলে এম.এ.মান্নান ভুইয়া। মান্নান ভূইয়া মানব কল্যান পরিষদ নামে একটি প্রতিষ্টানের উন্নয়নের কথা বলে বিভিন্ন কারখানা থেকে চাঁদা নিয়ে নিজের উন্নয়ণ করত। এছাড়াও  মান্নান এলাকার সকল মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা নিয়ে আসছে বলে এলাকাবাসী জানায়। গত ১৮’আগষ্ট সন্ধায় মাদক ব্যবসার লেনদেন নিয়ে এলাকার শাহজাহান ড্রাইভারের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দেলুর সাথে মান্নান ভূইয়ার বাক-বিতন্ডা বাধেঁ। এক পর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন দেলু মান্নানের উপর চাকু নিয়ে চড়াও হয়। এতে মান্নান গুরুত্বর আহত হয়। এ ঘটনায় আহত মান্নান আর্থিক ফায়দা লুটতে গত ২০’ আগষ্ট ২০১৬ইং তারিখে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪ দন্ড বিধি তৎসহ বিস্ফোরক উপাদানাবলি সংষোধিত আইন ২০০২এর ৩ধারায় সত্যকে আড়াল করে ৪৫’নং মামলা দায়ের করে। মামলায় আসামী করা হয় একই এলাকার (১) মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে শাহজাহান, (২) আঃ হকের ছেলে শহিদুল্লাহ, (৩) মৃত মজিদ বেপারীর ছেলে মাষ্টার দেলু, (৪) শাহজাহান ড্রাইভারের ছেলে দেলোয়ার হোসেন দেলু, (৫) মাস্তান ওরফে হাসানের ছেলে সাইদুল, (৬) মৃত ইসমাইলের ছেলে ইয়াছিন, (৭) মৃত মনু ড্রাইভারের ছেলে জামান ও মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে সেন্টুসহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে। আসামীদের মধ্যে শাহজাহান গোদনাইল ইউনিয়ণ যুবলীগের সহ-সভাপতি ও শহিদুল্লাহ প্রচার সম্পাদক। মামলার তদন্ত্রকারী কর্মকর্তা এসআই ওমর ফারুক ৮নং আসামী সেন্টুকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠালে আদালত সেন্টুকে জামিন দেন। সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, মামলায় উল্লেখিত আসামীদের মধ্যে মারামারির সময় ঘটনাস্থলে ৪নং আসামী দেলু ছাড়া কেহ উপস্থিত ছিলনা। প্রত্যক্ষদর্শিদের ভাষ্যমতে কোন ককটেল বিস্ফোরণ হয়নি। অথচ বিস্ফোরক আইন ২০০২এর ৩’ধারাতে মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ছাড়াও মান্নান ভুইয়ার হাতে গুলি লেগেছে বললেও গুলি বর্ষনের কোন চিহৃ পাওয়া যায়নি। প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে নিরহ লোকদের মামলায় জড়িয়ে আর্থিক ফায়দা লুটতে অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বাদী মান্নান ও তার লোকজন। উল্লেখ্য মান্নানকে এলাকাবাসী ডিবি ও পুলিশের সোর্স হিসাবেই চেনে। এ ব্যপারে মামলার সঠিক তদন্ত্র ও প্রকৃত আসামীকে গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার সচেতন জনতা।






Related News

Comments are Closed