Main Menu

ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে বেকারত্ব থেকে মুক্তি

28112_1দিনাজপুর:

যোগাযোগের সহজ মাধ্যম হিসেবে মোটরসাইকেল এর চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিনিয়ত। দিনাজপুর অঞ্চলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এর সংখ্যা। তবে নিজের কাজের জন্য নয় কিংবা বিয়ের যৌতুক হিসাবেই শুধু নয়। এবার এই মোটরসাইকেল ভাড়া দিয়ে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেক যুবকের। মোটরসাইকেল ভাড়া এনে দিয়েছে বেকারত্বের মুক্তি।

ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের অনেকেই কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন আবার অনেকে পরিবারের অশান্তির কারণ ছিলেন। এখন তারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। আজ তারা মোটরসাইকেল ভাড়া দিয়ে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সংসারে শান্তি ফিরিয়ে এনেছেন।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার বিন্যাকুড়ি বাজারসহ সর্বত্র পাওয়া যায় এসব ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল।
তবে চিরিরবন্দরে ভাড়ায় চালিত যত মোটরসাইকেল রয়েছে তার মধ্যে বিন্যাকুড়ি বাজারেই বেশি। এরই মধ্যে উপজেলার সকল ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকদের নিয়ে  বিন্যাকুড়ি বাজারে মোটরসাইকেল চালক সমিতি গঠনের চেষ্ঠা চলছে।

চিরিরবন্দর উপজেলার বিভিন্ন সড়কে কয়েক শ’ ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল উপজেলাসহ পাশ্ববর্তী জেলা উপজেলায় চলাচল করছে। বর্তমানে পেশাটির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের হাটবাজারে গড়ে উঠছে মোটরসাইকেল বিক্রির শো’রুম। এসব শো’রুম থেকে নগদ বা সহজ কিস্তির মাধ্যমে মোটরসাইকেল নিয়ে অনেকেই এখন ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন।

চালক আব্দুল মজিদ জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সঠিকভাবে চালালে ৫ থেকে ৬শত আয় করা যায়। এ আয় দিয়ে ভালভাবে সংসার চলে।

চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির লাইসেন্স প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চালক আল-আমিন জানান, গরিব মানুষ, কিস্তিতে মোটরসাইকেল নিয়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হিমশিম খাই। লাইসেন্স করবো কি করে?

এদিকে ভাড়ায় মোটরসাইকেলে যান এমন একজন রফিকুল ইসলাম জানান, মাটরসাইকেল ভাড়া প্রতি কিলোমিটার হিসাবে নেয়া হয়। আমি ১২ কিলোমিটার গেলে ১২টাকা ভাড়া দিতে হয়েছে। আর মোটরসাইকেল তারাই চালাই। এটা অনেকের সময় ও চলাচলে সুবিধা এনে দিয়েছে।






Related News

Comments are Closed