Main Menu

‘বঙ্গবাহাদুরের’ কংকাল জাদুঘরে সংরক্ষণের উদ্যোগ

শুক্রবার জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার কয়ড়া গ্রামে বঙ্গবাহাদুরকে সমাহিত করার স্থান পরিদর্শনকালে জাদুঘরের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল একথা জানায়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাদুঘরের সহকারী কিপার শওকত ইমাম খান, সহকারী কিপার গোলাম কাউছার এবং মালি শরাফত হোসেন। আসাম থেকে পাহাড়ি ঢলে ভেসে আসা এই হাতি ৪৯ দিন বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায় ঘরে বেড়ানোর পর জামালপুরের সরিষাবাড়ির কয়ড়া গ্রামে মঙ্গলবার সকালে মারা যায়। ওইদিনই বনবিভাগ ময়নাতদন্ত শেষে কয়ড়া গ্রামে তাকে মাটিচাপা দেয়।

সরিষাবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইয়েদ এ জেড মোর্শেদ আলী জানান, কেউ যাতে তুলে ফেলতে না পারে সেজন্য সরিষাবাড়ি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাতিটিকে সমাহিত করার স্থান পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জাতীয় জাদুঘরের সহকারী কিপার শওকত ইমাম খান বলেন, জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সরকারি অনুমোদন পেলে হাতিটির চামড়া গবেষণা কাজে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া হাড় সংগ্রহ করে কংকাল দর্শকদের জন্য উপস্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে।

গত ২৬ জুন ভারতের আসাম থেকে পাহাড়ি ঢলে ভেসে আসে বুনো হাতি বঙ্গবাহাদুর। কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরের বিভিন্ন স্থানে বানের জলে ভেসে বেড়ায় দেড়মাসেরও বেশি সময়।






Related News

Comments are Closed