Main Menu

সিরিয়ায় কারাগারে মারধর ও ধর্ষণের শিকার হয়ে গত পাঁচ বছরে ১৮ হাজার বন্দীর মৃত্যু

অনলাইন ডেক্সঃ সিরিয়ায় কারাগারে মারধর ও ধর্ষণের শিকার হয়ে গত পাঁচ বছরে ১৮ হাজার বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বরাত দিয়ে বিবিসি অনলাইনের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

অ্যামনেস্টি জানায়, তাদের কাছে কারাগারে নির্যাতনের শিকার হয়ে বেঁচে আছে—এমন ‘৬৫ জনের’ সাক্ষাৎকারের তথ্য রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনটি এই নির্যাতন বন্ধ করতে দামেস্ককে চাপ দিতে বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তবে সিরিয়া সরকার বরাবরই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

অ্যামনেস্টির হিসেবে দেখা যায়, ২০১১ সালের মার্চে যখন প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদবিরোধী বিদ্রোহ জোরালো হয়ে উঠছিল, তখন থেকে শুরু করে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত কারাগারে ১৭ হাজার ৭২৩ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

অর্থাৎ, দিনে প্রায় ১০ জন আর মাসে ৩০০ জনের বেশি। বন্দীদের কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর কারারক্ষীরা তাদের ব্যাপক পেটাত, যা ‘ওয়েলকাম পার্টি’ হিসেবে পরিচিত। নিরাপত্তা তল্লাশির নামে নারীদের ধর্ষণ ও নানাভাবে যৌন হয়রানি করা হতো।
সামের নামের এক বন্দী অ্যামনেস্টিকে জানায়, ‘তারা আমাদের সঙ্গে পশুর মতো আচরণ করত। তারা মানুষের সঙ্গে যতটা অমানবিক আচরণ করা যায়, তা করত।’ তিনি বলেন, ‘আমি রক্তের নদী বয়ে যেতে দেখেছি…আমি কোনো দিন ভাবতে পারিনি মানুষ এতটা নিচে নামতে পারে।’

জিয়াদ নামের আরেক কয়েদি সাতজনের মৃত্যুর ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার আটক কেন্দ্রে বাতাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার এক দিন পর সেখানে সাতজন মারা যায়। তিনি বলেন, ‘কে বেঁচে আছে আর কে নেই, তা দেখতে তারা আমাদের লাথি মারতে শুরু করে।’

অ্যামনেস্টির মিডল ইস্ট ও নর্থ আফ্রিকার পরিচালক ফিলিপ লুথার বলেন, কয়েক দশক ধরে সিরিয়া সরকার তাদের বিরোধীদের শেষ করে দিকে নির্যাতনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।






Related News

Comments are Closed